গত সেপ্টেম্বরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি ৭ মিনিটের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়। কোয়ারেন্টিন প্রটোকল ইস্যুতে আপত্তি তুলেছিল ব্রাজিলের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ম্যাচটি সেদিন পরিত্যক্ত হয়েছিল। অবশেষে ওই ঘটনার তদন্ত শেষে রায় দিয়েছে ফিফা। ম্যাচটি পুনরায় মাঠে গড়ানোর নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়কে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া মাঠের অনাকাঙি্ক্ষত ঘটনারা জন্য আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দুই দলকেই আর্থিক জরিমানা করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ব্রাজিলকে জরিমানা করা হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ ও আর্জেন্টিনাকে ২ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ।
সাও পাউলোয় বিতর্ক উঠেছিল আর্জেন্টিনার চার ফুটবলার-এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জোভান্নি লো সেলসো, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে নিয়ে। বলা হয়, ব্রাজিলে প্রবেশের ক্ষেত্রে সেখানকার কোভিড প্রটোকল তারা মানেননি। তাই খেলা শুরুর কিছুক্ষণ পর মাঠে হানা দেন ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা। পরে তো ম্যাচই বন্ধ হয়ে গেছে।
এই ঘটনায় ফিফার রায়ে বলা হয়েছে, ওই চার খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরার ক্ষেত্রে ফিফার প্রটোকল মানেননি। সে কারণে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে দুই ম্যাচের। মার্চে পরের দুই বাছাই পর্বের ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডর। ফলে খুব সম্ভব এই দুই ম্যাচেই ওই চারজন অংশ নিতে পারবেন না। তবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ এর মাঝে পড়ে গেলে তখন সূচি দেখেই শাস্তির বিষয়টি নির্ধারিত হবে। অবশ্য দুই দলই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে। ফলে নতুন করে এই ম্যাচের সূচি তাতে প্রভাব ফেলবে না।










