নবাগত উগান্ডার বিপক্ষে
ওপেনিং জুটিতে ১৫৪ রান তুলেছেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। এ পথে গড়েছেন
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা ওপেনিং পার্টনারশিপের রেকর্ড। দুজনেই
খেলেছেন ৭০ ছাড়ানো ইনিংস। এরপর বল হাতে আগুণ ঝরান ফজল হক ফারুকি। ৯ রানে নিয়েছেন ৫
উইকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটা চতুর্থ সেরা বোলিং ফিগার। এই তিনজনের ঝলমলে
পারফরম্যান্সে ভর করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়া জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল
আফগানিস্তান। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার আফ্রিকান দেশ উগান্ডাকে রশিদ
খানের দল হারিয়েছে ১২৫ রানে।
২০২১ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের
বিপক্ষে ১৩০ রানে জিতেছিল আফগানিস্তান। তারপরই আজকের জয়টির অবস্থান। আজ ১৮৪ রানের লক্ষ্যে
ব্যাটিং করতে নেমে মূলত পাওয়ার প্লের মধ্যেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় উগান্ডা। পাওয়ার
প্লেতে ২১ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় তারা। এরপর উগান্ডার ব্যাটসম্যানরা শুধু হারের ব্যবধান
কমানোর চেষ্টা করেছেন। সেটাও খুব বেশি কমাতে পারেননি। উগান্ডার হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান
করেছেন রবিনসন ওবুয়া। প্রথেমবারের মতো ৫ উইকেট নেয়া ফারুকির বোলিং ফিগার টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপের চতুর্থ সেরা। শ্রীলংকার অজন্তা মেন্ডিস (৬/৮) ও রঙ্গনা হেরাথ (৫/৩) এবং
পাকিস্তানের উমর গুলেরই (৫/৬) শুধু তার চেয়ে ভালো বোলিংয়ের রেকর্ড রয়েছে।
প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার
সুযোগ পাওয়া উগান্ডাকে ১৮৪ রানের টার্গেট দেয় আফগানিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে ইব্রাহিম
জাদরানকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র আইপিএল জিতে আসা রহমানউল্লাহ গুরবাজ উগান্ডার বিপক্ষে দাঁড়
করালেন দেড়শ পার ছাড়ানো ওপেনিং জুটি। ধারণা করা হচ্ছিল এ ম্যাচেই হয়তো বিশ্বকাপে প্রথমবারের
মতো দুশ পেরুনো ইনিংস দেখবে ক্রিকেট বিশ্ব।
তবে কিছুটা হতাশ হতেই
হলো আফগানিস্তানের শেষ দিকের ব্যাটিংয়ে। আর উগান্ডা ডেথ ওভারে উপহার দিল পিকচার পারফেক্ট
বোলিং। শেষ ৫ ওভারে তারা দিয়েছে মোটে ২৫ রান। ১৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তোলা
আফগানিস্তান ২০ ওভারে করল ৫ উইকেটে ১৮৩।
আফগানিস্তানের পক্ষে ৪৫
বলে ৪ ছক্কা ও ৪ চারে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন গুরবাজ। জাদরান ৪৬ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায়
করেন ৭০ রান। এ দুজনের উদ্বোধনী জুটি তুলল ১৫৪ রান। এরপর নাজিবুল্লাহ জাদরান ২, গুলবাদিন
নাইব ৪ আর আজমতউল্লাহ ওমরজাই ফেরেন ৫ রানে। মোহাম্মদ নবী করেছেন ১৬ বলে ১৪। গুরবাজ
ও জাদরান ছাড়া আফগানদের হয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি কেউই।
উগান্ডার হয়ে ২টি করে
উইকেট পেয়েছেন ব্রায়ান মাসাবা এবং কসমস কুয়েটা। বাকি উইকেটটি পান রামজানি।










