পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি নিতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আজ শারজায় রাত ৯টায় শুরু হবে প্রথম ম্যাচ। সোমবার একই ভেন্যুতে একই সময় দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ।
আরব আমিরাতের সঙ্গে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলে পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। এ সফরের জন্য বাংলাদেশ সরকার সবুজসংকেত দিয়েছে। এখন খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খেলোয়াড়রা চাইলে না-ও যেতে পারেন। পাকিস্তানের মাঠে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের।
আরব আমিরাত ও পাকিস্তান সফরের জন্য লিটন দাসকে অধিনায়ক ও মেহেদী হাসান মিরাজকে সহ-অধিনায়ক করে ১৫ জনের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। পাকিস্তান সুপার লিগের ফাইনাল ২৫ মে হওয়ার কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সিরিজটা দুদিন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। নতুন সূচিতে প্রথম ম্যাচ ২৭ মে। দুটি ম্যাচ ফয়সালাবাদে ও বাকি তিনটি লাহোরে।
আজকের ম্যাচ নিয়ে অনেকটাই নির্ভার থাকবে বাংলাদেশ। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে কখনই হারেনি টাইগাররা। ২০২২ সালের আরব আমিরাত সফরে যথাক্রমে ৭ ও ৩২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। এছাড়া ঢাকায় ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে আরব আমিরাতকে ৫১ রানে হারায় বাংলাদেশ।
শক্তিশালী লাইনআপ নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেন করবেন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর নামবেন লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। মারমুখী ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন নামবেন পাঁচে। শেষ দিকে দ্রুত রান তোলায় পারঙ্গম তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী হাসান।
পেস আক্রমণও ঈর্ষণীয়। মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ পেস ব্রিগেডের শক্তি। রিশাদ ও মেহেদীর ব্যাকআপ হিসেবে থাকবেন বামহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম।
ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ-টুতে সদ্যই স্বাগতিক নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডের কাছে হেরেছে আরব আমিরাত। ভিন্ন ফরম্যাট হলেও আমিরাতিরা এবার জয়ে ফিরতে মরিয়া। যদিও এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে অতীতে জয় নেই তাদের। বড় দলের বিপক্ষে কম খেললেও হারানোর অভিজ্ঞতা আছে তাদের। ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডকে হারায় তারা। এছাড়া আফগানিস্তানকেও হারানোর কৃতিত্ব আছে তাদের।










