সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার প্রস্তুতির ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন বাশার। মাঠের বাইরের সবকিছু ঠিকঠাক হলে তাকে লম্বা সময়ের জন্যই আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে দেখতে চান তিনি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে বেশ দূরে থাকলে সাকিবকে নিয়ে সবসময়ই কথা ওঠে। বিসিবির সভাপতি থেকে শুরু করে নির্বাচকদের পড়তে হয় তাকে নিয়ে প্রশ্নের মুখে। প্রধান নির্বাচককেও সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেয়ার পর গতকাল প্রথমবারের মতো দল ঘোষণা করতে আসেন বাশার। সেখানে তিনি বললেন, সাকিবের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে।
সাকিব ইস্যুতে বাশার বলেন, ‘আমার সঙ্গে দু-একবার কথা হয়েছে (সাকিবের সঙ্গে)। আমার মূল প্রশ্ন ছিল, সে প্রস্তুত কিনা। যেহেতু ও যেখানে আছে, ওখানে ক্রিকেট নিয়মিত হয় না। ট্রেনিংয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফিটনেস ট্রেনিং করা যায়, কিন্তু ক্রিকেট খেলা অত রেগুলার হয় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে হলে তৈরি হওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ। আমি আসলে ওর সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। বাকিটা ওকে এখানে পাওয়ার ব্যাপার। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমরা অবশ্যই তাকে লম্বা সময়ের জন্যই চাই।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাকিব আর দেশে ফিরতে পারেননি। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য। ফলে দেশে বিরাট একটি অংশের তোপের মুখে পড়েন নন্দিত এ ক্রিকেটার। তাকে হত্যা মামলায়ও আসামি করা হয়। ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা ছিল তার। সেই ম্যাচ খেলতে দেশের পথে থাকলেও পরে নিরাপত্তা শঙ্কায় তাকে থমকে যেতে হয় মাঝপথেই। সেই থেকে তিনি দলে ব্রাত্য। তাকে নিয়ে নানাভাবে কথা ওঠে, তবে তার আর দলে ফেরা হয় না।
সাকিব অবশ্য হাল ছাড়ছেন না। খারাপ সময়ের মধ্যে থেকেও তিনি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশের মাঠ থেকেই তিনি ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চান। সেই সুযোগ কি পাবেন এবার?
৩৯ বছর বয়সী সাকিব ৭১টি টেস্ট, ২৪৭টি ওয়ানডে ও ১২৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন দেশের হয়ে। ২০২৪ সালে অক্টোবরে ভারতের কানপুরে সর্বশেষ টেস্ট, ২০২৩ সালের নভেম্বরে দিল্লিতে বিশ্বকাপে শ্রীলংকার বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে ও ২০২৪ সালের জুনে কিংটাউনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন সাকিব।










