নারীদের
নবম এশিয়া কাপ ফাইনালে আজ (২৮ জুলাই) ভারতকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা উৎসব করল শ্রীলংকার
মেয়েরা। ডাম্বুলায় আগে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে ভারত। জবাবে সিংহলিজ নারীরা
৮ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয়। এই প্রথম যেকোনো ফরম্যাটে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেল দ্বীপদেশটির
মেয়েরা।
স্মৃতি
মন্ধানা ৪৭ বলে ৬০, রিচা ঘোষ ১৪ বলে ৩০ ও জেমিমা রদ্রিগেজ ১৬ বলে ২৯ রান করে দলকে লড়াইয়ের
পুঁজি এনে দেন। ১৬৬ রান করার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাটিংয়ে নেমে লংকানরা ৭ রানের
মাথায় হারায় ভিশমি গুনারত্নেকে। এরপর অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে
৪৩ বলে ৬১ রান করে দলের আশা বাঁচয়ে রাখেন। ১২তম ওভারের শেষ বলে তিনি দীপ্তি শর্মার
শিকার হন। তখন ৪৮ বলে ৭২ রানের প্রয়োজন পড়ে শ্রীলংকার। কাভিশা দিলহারিকে (১৬ বলে ৩০*)
নিয়ে দক্ষতার সঙ্গেই বাকি কাজটুকু সেরেছেন হারশিথা সামারাবিক্রমা (৫১ বলে ৬৯*)।
শুক্রবার
সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। ওইদিন আরেক সেমিফাইনালে
পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে লংকানরা।
এশিয়া
কাপে প্রথম চারটি আসর ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে, পরের পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ২০০৪
সালে প্রথম আসরে শুধু ভারত ও শ্রীলংকা লড়াই করে। সেবার পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা ভারত ৫-০তে
জিতে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পায়। পরের দুটি আসরে পাকিস্তান যুক্ত হয় এবং ২০০৮ সালে সর্বশেষ
ওয়ানডে আসরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
এর
আগে শ্রীলংকা চারটি ফাইনালে হেরেছে ভারতের কাছে। এছাড়া প্রথম আসরে পাঁচ ম্যাচের সিরিজেও
ভারতের কাছে পরাজিত হয় লংকানরা। সর্বশেষ ২০২২ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আসরের ফাইনালে
তারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। অবশেষে পঞ্চম ফাইনালে তারা ভারতকে হারাতে পেরেছে।
এশিয়া
কাপে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাঁচ আসরে খেলে পাঁচবারই ফাইনালে উঠেছে ভারত। ২০১২, ২০১৬
ও ২০২২ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন হলেও ২০১৮ সালের ফাইনালে হেরে যায় বাংলাদেশের কাছে। এবার
হারল শ্রীলংকার কাছে।










