প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ জয়ের হাতছানি ছিল জর্ডান। কিন্তু তাদের স্বপ্ন ভেঙে আবারও এশিয়ার সেরা কাতার। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এশিয়া কাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখল বিশ্বকাপের আয়োজনকারী দেশটি। গতকাল শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে ফাইনালে ম্যাচে তিনটি গোলই এসেছে কাতারের আকরাম আফিফের পা থেকে।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কাতার। খেলা শুরুর প্রথম দশ মিনিটে জর্ডান গোলমুখে তিনটি শট নেয় কাতার। তিনটিই আফিফের। একের পর এক আক্রমণের ধারাতেই ২১ মিনিটে জর্ডান ডিফেন্ডার আবদুল্লাহ নাসিবের ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি আদায় করে নেন আফিফ। ঠাণ্ডা মাথায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়েও দেন। এ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
বিরতি থেকে ফিরে জর্ডানও ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালায়। সেই ধারাবাহিকতায় ৬৭ মিনিটে সমতায় ফেরে জর্ডান। মিডফিল্ডার এহসান হাদ্দাদের পাসে দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফেরান আল নাইমাত। তবে ৬ মিনিট পর আবারও এগিয়ে যায় কাতার। এবারও পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। গোলদাতা সেই আকরাম আফিফই। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে কাতার। ৯৫ মিনিটে জর্ডানের কফিনে শেষ আঘাত করেন আকিফ। তিন পেনাল্টি থেকে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন কাতারের এই ফরোয়ার্ড।
মোট ৮ গোল করে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বল জয় করেন কাতারের এই ফুটবলার। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টের মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বলও উঠেছে তার হাতে।
ম্যাচের পর কোচ মার্কুয়েজ লোপেজ বলেন, ‘আমি অভিনন্দন জানাতে চাই কাতারি জনগণ এবং খেলোয়াড়দের। অসম্ভব কঠিন এক টুর্নামেন্ট এবং কঠিন এক ফাইনাল জিততে পেরে দারুণ খুশি আমরা। খুবই টেনশনে ছিলাম।’
ফলে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ার মুকুট পড়ল স্বাগতিক কাতার। এ জয়ে দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও জাপানের পর পঞ্চম দল হিসেবে টানা দুই আসরে এশিয়ান কাপ জয়ের নজির গড়ল কাতার।










