কভিডের প্রভাবে আর্থিক সংকটে পড়েছিল অধিকাংশ বড় ফুটবল ক্লাব। এই কঠিন পরিস্থিতিতেও বিশাল অঙ্কের রাজস্ব আহরণ করেছে ম্যানচেস্টার সিটি, পিএসজি ও চেলসির মতো ক্লাব। তবে কভিডের কারণে বেশিরভাগ বড় ক্লাবের আয় আগের মৌসুমের চেয়ে কমেছে।
ডেলয়েট ফুটবল মানি লিগ এর জরিপ অনুযায়ী, ২০২০-২১ মৌসুমে আয়ের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি।
দুবাইয়ের ধনকুবের মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ক্লাবটি গত মৌসুমে আয় করেছে ৬৪৪.৯ মিলিয়ন ইউরো। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে ৭১৫.১ মিলিয়ন ইউরো আয় করে বিশ্বের শীর্ষ ক্লাব ছিল স্পেনের বার্সেলোনা। ওই মৌসুমে ৫৪৯.২ মিলিয়ন ইউরো আয় করা ম্যানসিটি ছিল ছয় নম্বরে। এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৯৫.৭ মিলিয়ন আয় বৃদ্ধি পেয়ে ইংলিশ ক্লাবটি এবার উঠে এসেছে শীর্ষে, অন্যদিকে বার্সেলোনা চলে গেছে তালিকায় চার নম্বরে।
২০২০-২১ মৌসুম অর্থবছরে কাতালান ক্লাবটির আয় ৫৮২.১ মিলিয়ন ইউরো। আগের মৌসুমের চেয়ে আয় কমেছে ১৩৩ মিলিয়ন ইউরো। মূলত, লিওনেল মেসি সঙ্গে বার্সেলোনার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার মৌসুম এবং আর্জেন্টাইনের ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনে বিভিন্ন কোম্পানি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। তাতেই বার্সার আয়ে ভাটা পড়ে।
ম্যানসিটির চেয়ে অল্প কিছু ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে এবারো আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। গত অর্থবছরে লস ব্লাঙ্কোসদের আয় হয়েছে ৬৪০.৭ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৯-২০ এর চেয়ে প্রায় ৭৪ মিলিয়ন আয় কমেছে ক্লাবটির। তাদের আগের আয় ছিল ৭১৪.৯ মিলিয়ন ইউরো।
প্রায় ২৩ মিলিয়ন আয় কমে এবারো তিনে আছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। গত মৌসুমে ৬১১.৪ আয় করেছে বাভারিয়ানরা। এর আগের মৌসুমে তাদের আয় ছিল ৬৩৪.১ মিলিয়ন ইউরো।
ব্র্যান্ড হিসেবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অবনতির ধারায়। ২০১৭ সালে তালিকার শীর্ষে থাকা ক্লাবটি ৫৫৮ মিলিয়ন ইউরো আয় করে এবার পাঁচ নম্বরে। আগের মৌসুমের চেয়ে আয় কমেছে ২২ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৯-২০ মৌসুমে ৫৮০ মিলিয়ন আয় করে তারা ছিল চতুর্থ স্থানে।
আগের চেয়ে প্রায় ১৫ মিলিয়নেরও বেশি আয় বৃদ্ধি পেয়ে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের অবস্থান ছয় নম্বরে। ২০২০-২১ অর্থবছরে তাদের আয় ৫৫৬.২ মিলিয়ন ইউরো। যা আগের অর্থ বছরে ছিল ৫৪০.৬ মিলিয়ন ইউরো। ফরাসি ক্লাবটিতে লিওনেল মেসি যোগ দেয়ার কারণে আগামী মৌসুমে তাদের আয় আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।
শীর্ষে দশের বাকি ক্লাবগুলো হলো-লিভারপুল ৫৫০.৪ মিলিয়ন ইউরো, চেলসি ৪৯৩.১ মিলিয়ন ইউরো, জুভেন্টাস ৪৩৩.৫ মিলিয়ন ইউরো, টটেনহাম হটস্পার ৪০৬.২ মিলিয়ন ইউরো। গোল ডটকম










