রাজধানীর এক অভিজাত হোটেলে গতকাল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলামে স্থানীয় ক্রিকেটারদের পর ছিল বিদেশীদের নিলাম। নিলাম থেকে স্থানীয় ১৪ জন ও বিদেশী দু জন করে ক্রিকেটার নিয়েছে দলগুলো। নিলামে দেশী ও বিদেশী মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকা দাম পেয়েছেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তাকে দলভুক্ত করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। নাঈম শেখের জন্য নিলামে আগ্রহ প্রকাশ করে সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী। শেষ পর্যন্ত জয় হয় চট্টগ্রামের। গত আসরে খুলনা টাইগার্সের হয়ে ৫১১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন নাঈম।
এছাড়া জাতীয় দলের কৃতী মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়কে ৯২ লাখ ও টি-টোয়েন্টি দলনায়ক লিটন দাসকে ৭০ লাখে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স।
সম্প্রতি কাতারে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দেয়া ওপেনার হাবিবুর রহমান ৫০ লাখ টাকায় বিপিএলে দল পেয়েছেন। ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে তার ভিত্তিমূল্য ছিল ১৮ লাখ টাকা। তাকে ৫০ লাখ টাকায় নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। একই টুর্নামেন্টে চমক দেখানো পেসার আব্দুল গাফফারকে ৪৪ লাখ টাকায় নিয়েছে রাজশাহী। আরেক তরুণ ওপেনার জিসান আলমকেও ভিত্তিমূল্য ১৮ লাখ টাকায় নিয়েছে তারা।
গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসে খেলেছিলেন জাতীয় দলের একসময়কার হার্ড হিটার সাব্বির রহমান। তাকে ২৮ লাখ টাকায় ধরে রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ভিত্তিমূল্য ১৮ লাখ টাকায় ঢাকা কিনেছে একসময় জাতীয় দলে খেলা তারকা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে।
‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে কোনো ক্রিকেটারকে নিলামের শুরুতে দলে নিতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে নিয়ম অনুযায়ী সব দলকেই ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে বাধ্যতামূলকভাবে দুজন ক্রিকেটারকে নিতে হবে। নিলামে ওঠা শেষ দুই ক্রিকেটার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকায় দলে নিতে বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকার কাড়াকাড়িতে তার দাম ওঠে ৫২ লাখ। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ঠিকানা হয়েছে ঢাকা।
পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন রংপুর রাইডার্সে। গত আসরেও একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন তিনি। ব্যাটার শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।










