শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫
রান। সেমিফাইনালের স্বপ্নটা তখনো ভালোভাবেই টিকে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ওবেদ ম্যাকয়
এলেন গুরুত্বপূর্ণ সেই ওভারটা করতে। প্রথম বলেই মার্কো ইয়ানসেনের ছক্কা! তিন উইকেটের
জয় দক্ষিণ আফ্রিকার। এক মুহূর্তেই স্তব্ধ অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়াম।
স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে
বিদায় করে নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টিবিঘ্নিত
ম্যাচে ১২৩ রানের টার্গেট ৫ বল হাতে রেখেই টপকে গেল প্রোটিয়ারা।
এদিন টস হেরে আগে ব্যাট
করতে নেমে ক্যারিবীয়রা ৮ উইকেটে ১৩৫ রানের সাদামাটা পুঁজি গড়ে। রোস্টন চেজ ৪২ বলে করেন
৫২ রান। ব্রেন্ডন কিংয়ের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া কাইল মায়ার্স ৩৪ বলে করেন ৩৫ রান। দক্ষিণ
আফ্রিকার স্পিনার তাবরিজ শামসি ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও
জেতেন তিনি।
১৩৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট
করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ২ ওভার ব্যাট করতেই নামে বৃষ্টি। ২ ওভারেই ২ উইকটে হারিয়ে
বসে প্রোটিয়ারা। দলের স্কোরটা তখন ১৫/২। ততক্ষণে সাজঘরে ফিরে গেছেন রিজা হেনড্রিক্স
ও কুইন্টন ডি কক।
বৃষ্টি থামার পর স্থানীয়
সময় রাত পৌঁনে ১২টায় খেলা পুনরায় শুরু হয়। এ সময় প্রোটিয়াদের জন্য নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ
করা হয় ১৭ ওভারে ১২৩ রান। শুরুতে ২ উইকেট হারালেও অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম (১৫ বলে ১৮),
ট্রিস্টান স্টাবস (২৭ বলে ২৯), হেনরিক ক্লাসেন (১০ বলে ২২) ও মার্কো ইয়ানসেনের (১৪
বলে ২১) ব্যাটে ভর করে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় প্রোটিয়ারা।
চেজ ১২ রানে তিনটি এবং
আলজারি জোসেফ ও আন্দ্রে রাসেল দুটি করে উইকেট নেন।
টানা সাত জয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে
প্রোটিয়ারা। ২০১৪ সালের এই প্রথম তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। শেষ চারে
তাদের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ-১ রানার্সআপ। ২৭ জুন সকালে ও রাতে দুটি সেমিফাইনাল। ২৯ জুন
ফাইনাল।










