২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে খেলতে পারবে না স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব এফসি বার্সেলোনা। ওই সময় ইউরোপের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়ামটির ব্যাপক সংস্কার কাজ চলবে। ওই সময় কাতালানরা নিজেদের হোম ম্যাচগুলো খেলবে লুইস কোম্পানিজ স্টেডিয়ামে। যেটির মালিক বার্সেলোনা নগর কর্তৃপক্ষ। নু ক্যাম্প সংস্কারের জন্য বার্সেলোনা আবেদন করেছিল পৌর পরিষদের কাছে। গত বৃহস্পতিবার গভর্নিং কমিশন স্টেডিয়ামটি পুনর্গঠনের আবেদনের অনুমোদন দেয়।

 

আগামী জুনে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। সংস্কারের প্রক্রিয়াটি ‘এস্পাই বার্সা’ নামের একটি পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। যা গ্যালারির প্রথম ও দ্বিতীয় স্তর, প্রযুক্তিগত দিক, স্টেডিয়ামের পরিবেশ ও বাইরের নগরায়ণের ওপর জোর দেবে। ক্লাবটির সুযোগ-সুবিধাকে আরো উন্নত করার পাশাপাশি স্টেডিয়ামটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উদ্ভাবনী কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।

 

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ন্যু ক্যাম্পের বর্তমান ধারণক্ষমতা ৯৯ হাজার ৩৫৪ জন। ক্লাব কর্তৃপক্ষ চায় ধারণক্ষমতাকে ১ লাখ ১০ হাজারে উন্নীত করতে। স্টেডিয়ামের আশেপাশের এলাকাকে নতুন করে সাজাতে চায়, যার মধ্যে ক্লাবের অন্যান্য খেলাধুলার জন্য একটি প্যাভিলিয়ন, যাদুঘর ও দোকান থাকবে। পুরো পরিকল্পনার জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ১.৫ বিলিয়ন ইউরো (১৫০ কোটি ইউরো)।

 

আগামী মৌসুম তথা ২০২২-২৩ মৌসুম ন্যু ক্যাম্পেই খেলা চালিয়ে যাবে কাতালানরা। পরের মৌসুমে লুইস কোম্পানিজে খেলবে তারা, যে স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার। ১৯৯২ সালে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান এই স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়েছিল। বার্সার নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওল ১৯৯৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এটিকে হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করেছিল।

 

২০২৪-২৫ মৌসুমে কাতালানরা আবার ফিরবে চেনা আঙ্গিনায়। তবে তখন ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ দর্শক পাবে স্টেডিয়ামে ঢোকার সুযোগ। ২০২৫-২৬ মৌসুমে স্টেডিয়ামের কাজ শেষ করার প্রত্যাশা তাদের।

 

সম্প্রতি মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাইয়ের কাছে স্টেডিয়ামের নামস্বত্ব বিক্রি করেছে বার্সেলোনা। যার ফলে আগামী মৌসুম থেকে চার বছরের জন্য স্টেডিয়ামের নাম হবে ‘স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু’। এফসি বার্সেলোনা