সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত গত টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের কাছে টেস্ট ও টি২০ সিরিজেও ভরাডুবি হয় বাংলাদেশ দলের। এরপর থেকেই হেড কোচ, নির্বাচক প্যানেল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান পড়েন তীব্র সমালোচনার মুখে। শোনা যাচ্ছে, জানুয়ারিতেই বিদায় নেবেন আফ্রিকান হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। হয়তো খুব বেশিদিন থাকা হবে না নির্বাচক প্যানেলেরও। এই অস্থিরতার মধ্যেই এবার পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান আকরাম খান।
দুদিন আগে আকরাম খানের স্ত্রী সাবিনা আকরাম নিজের ফেসবুক পোস্টে সাবেক অধিনায়কের পদত্যাগের কথাটি জানান। এ নিয়ে গতকাল আকরাম খান জানিয়েছেন, একান্তই পারিবারিক কারণে তিনি সরে যাচ্ছেন। বনানীতে নিজ বাসায় আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে আকরাম জানান, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনার পর পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন তিনি।
স্ত্রী পোস্ট করার একদিন পর আকরাম এ নিয়ে বলেছেন, হ্যাঁ, পারিবারিক কারণেই (সরে যাচ্ছি)। যেহেতু আমি এখানে অনেক বছর ছিলাম। এখানে মানসিক ও শারীরিক শক্তির দরকার হয়। সব মিলিয়েই এই বিরতির সিদ্ধান্ত।
তবে বিষয়টি নিয়ে এখন পাপনের মতামতের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। আকরাম বলেন, ওনার (নাজমুল) সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব, এখন আমি এ নিয়ে কিছুই বলতে চাই না। ওনার পরামর্শ অনুসরণ করব আমি।
দুই দফায় ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন আকরাম খান। ২০১৪ সালে প্রথমবার প্রধান হন। পরের বছর অক্টোবরে নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের কাছে চেয়ার হারান তিনি। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে চেয়ারম্যান হয়ে ফেরার পর দায়িত্ব পালন করেন টানা ৬ বছর।
গত অক্টোবরে সবশেষ বোর্ড নির্বাচনের পর আকরাম পরিচালক নির্বাচিত হন। যদিও এরপর এখনো বিসিবিতে নতুন করে পদ বন্টন করা হয়নি। পরিচালকরা আগের দায়িত্বেই বহাল রয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে, জানুয়ারিতে পদ বন্টন করা হলে তাকে ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের প্রধানের পদ হারাতে পারেন সাবেক অধিনায়ক। হয়তো এটা বুঝতে পেরেই তিনি নিজে থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আবার অনেকে দুর্জয়ের সঙ্গে কোন্দলকেও এখানে কারণ হিসেবে দেখছেন।
৫৩
বছর বয়সী আকরাম আরো বলেন, এই ব্যাপারে আমরা পারিবারিকভাবে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেহেতু
আমি আট বছর ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগে ছিলাম, তো এটা নিয়ে আমাদের বোর্ড প্রেসিডেন্ট,
আমার যে অভিভাবক, ওনার সঙ্গে আলাপ করে হয়তো কালকের মধ্যে আমার সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দেব।
ওনার কনসার্ন ছাড়া আমি আপনাদের কিছু বলতে পারব না।










