সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ভারতকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন বাংলাদেশের সুরভী আকন্দ প্রীতি। তিনি পাঁচ গোল করেছেন। শিরোপা জয় শেষে প্রীতি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের মতো বড় খেলোয়াড় হতে চান। তাৎক্ষণিক অনুভুতি প্রকাশ করে প্রীতি বলেন, ‘আমার টার্গেট ভবিষ্যতে সাবিনা আপুর মতো বড় খেলোয়াড় হবো।’

 

সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের রেসে ছিলেন ভারতের আনুশকা কুমারী ও প্রীতি। যদিও ফাইনালে এক গোল করে প্রীতিকে পেছনে ফেলে ট্রফি জিতে নেন আনুশকা। খালি হাতে ফিরছেন না প্রীতিও। তিনি জিতেছেন আসরের সেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি। আর আসরের সেরা গোলকিপার হয়েছেন ফাইনালে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ইয়ারজান বেগম।

 

প্রীতি বলেন, ‘সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের জন্য আক্ষেপ করছি না, কারণ আমাদের কাছে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই বড়। আমাদের বিশ্বাস ছিল, ইয়ারজান ভালো কিছু সেভ দেবে এবং আমরা জিতব। ইনশাল্লাহ আমরা জিতছি। আমরা দুই মাস কষ্ট করে টুর্নামেন্টে আসছি, তার ফল আল্লাহ দিয়েছে আমাদের।’

 

 

জয়ের অনুভুতি প্রকাশ করে বাফুফের ভিডিওতে ইয়ারজান বলেন, ‘আজ অনেক ভালো লাগছে আমার। প্রথম টুর্নামেন্ট খেলছি। আর বেস্ট গোলকিপার হওয়ার অনুভুতিটা অনেক। এই পর্যায়ে আসার জন্য আমার কোচকে ধন্যবাদ জানাই। আজ অনেক খুশি আমি। প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলে সেরা গোলকিপার হইছি। আমি আমার বাবা ও কোচকে এই জয় উৎসর্গ করছি।’

 

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক অর্পিতা শিরোপা জয়ের অনুভুতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘ফাইনালের আগে প্রথমে যখন ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলা হয় তখন আমি খুব শিহরিত ছিলাম। সামনে আনা হলে আমিই প্রথম দেখি। তখন আমার ভেতরে কাজ করছিল— ট্রফিটা আমিই নেব। ভারতের অধিনায়ক ট্রফিটা ধরে নাই, আমি ধরেছি। এতে আমার মধ্যে অনুভুতি জাগে—যেহেতু আমি ট্রফিটা ধরেছি, এটা আমিই বাংলাদেশে নিয়ে যাব। খেলোয়াড়দের বলেছি, আমি যেহেতু ট্রফিটা ধরেছি, এটা আমরাই নেব। আমি সার্থক হয়েছি যে ট্রফিটা আমাদের কাছেই ধরে রাখতে পেরেছি।’