চীনের টেনিস তারকা পেং শুয়াই ইস্যুর সমধানে কাজ করে যাচ্ছে উইমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউটিএ)। তবে এখনো সমাধান না হওয়ায় চলতি বছরেও চীনে কোনো টেনিস প্রতিযোগিতা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটির ট্যুর চিফ স্টিভ সিমন। এর ফলে সম্প্রচার ও বিজ্ঞাপনের কয়েক কোটি ডলার হাতছাড়া হচ্ছে তাদের। খবর রয়টার্স।
চীনের সাবেক ভাইস-প্রিমিয়ার ঝাং গাওলির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গত নভেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দেন দ্বৈত টেনিসে বিশ্বের সাবেক এক নম্বর তারকা পেং শুয়াই। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেন এবং তিন সপ্তাহ লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান পেং।
এ ইস্যুতে তখন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো সরব হয়ে ওঠে। নারী টেনিসের সর্বোচ্চ সংস্থা ডব্লিউটিএসহ বিভিন্ন টেনিস সংস্থা এর প্রতিবাদ জানায়। চীন নারীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, এই অভিযোগে ডিসেম্বরের শুরুতে ডব্লিউটিএ চীন থেকে নারীদের সব ধরনের টেনিস প্রতিযোগিতা বাতিল করে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, চীনে নারী টেনিসের প্রতিযোগিতা বাতিল করায় সম্প্রচার ও বিজ্ঞাপনের কয়েক কোটি ডলার হাতছাড়া হচ্ছে তাদের।
সিমন দ্য টেনিস পডকাস্টকে বলেছেন, আমরা এটির একটি সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা এমন একটি সমাধান চাই, যেটায় পেং শুয়াই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে, চীন সরকার স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে এবং আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।
তিনি আরো বলেন, আমরা চীন থেকে দূরে হাঁটছি না। সেখানে প্রতিযোগিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল থাকছে। একটি সমাধান না আসা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আশা করছি সমাধান এসে ২০২৩ সালে চীনে আবারো টেনিস প্রতিযোগিতা ফিরবে। আমরা যদি তা করতে পারি, তবে তা বিশ্বের জন্য আরেকটি বড় বিজয় হবে।
পেং শুয়াই ইস্যু নিয়ে তদন্ত করতে চায় ডব্লিউটিএ। তার সঙ্গে একান্তে কথা বলারও সুযোগ চায় সংস্থাটি।










