আসরজুড়ে দাপট ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ব্যাটারদের। তবে ফাইনালে এসে ছন্নছাড়া ভিক্টোরিয়ান্স ব্যাটিংলাইনআপ। ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে থাকা পরও শেষদিকে আন্দ্রে রাসেলের ক্যামিওতে লড়াই করার পুঁজি পায় কুমিল্লা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তুলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন অঙ্কন।
কুমিল্লার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন সুনীল নারিন ও লিটন দাস। প্রথম ওভারেই মাত্র ৫ রানে আউট হন নারিন। চলমান বিপিএলে ফর্মের তুঙ্গে থাকা তাওহিদ হৃদয়ও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ব্যক্তিগত ১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর ষষ্ঠ ওভারে ফেরেন অধিনায়ক লিটন দাসও। ফেরার পূর্বে ১২ বলে ১৬ রান করেন তিনি।
৩ উইকেট হারিয়ে চাপে থাকা কুমিল্লাকে টানছিলেন জনসন চার্লস ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তবে দুজনের জুটিতে ২৩ রানের বেশি হয়নি। দলীয় ৬৫ রানে ম্যাককয়ের বলে তামিমের ক্যাচ হয়ে সাজঘরে ফেরেন চার্লস। ফেরার আগে ১৭ বলে ১৫ রান করেন এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। দলীয় ৭৯ রানে রান আউট হয়ে ফিরলেন মঈন আলি।
বিস্তারিত আসছে










