চলতি বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের
অবিশ্বাস্য জয়রথ ছুটছেই। প্রথম তিন ম্যাচে হারের পর দলটি টানা আট ম্যাচে জয়ের
কৃতিত্ব দেখাল। আজ মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তারা ফরচুন বরিশালকে ৫
উইকেটে হারিয়ে প্রথমবোরের মতো টেবিলের দুইয়ে উঠে গেছে। টেবিলের এক নম্বরে থাকা
সিলেট স্ট্রাইকার্সের সমান ১৬ পয়েন্ট কুমিল্লার, ইমরুল কায়েসের দল শুধু নেট
রানরেটে পিছিয়ে রয়েছে।
বরিশাল ছিল শীর্ষে ওঠার রেসে, যদিও এখন তারা
নেমে যেতে পারে চার নম্বরেও। তাদের সমান ১৪ পয়েন্ট রয়েছে রংপুর রাইডার্সের, যারা এক
ম্যাচ কম খেলেছে। বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে হারালেই বরিশালকে
টপকে তিনে উঠে যাবে রংপুর। বুধবার দুপুরে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে খেলবে সিলেট।
২২ বছর বয়সী মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ২৩ রানে ৫
উইকেট শিকার করে বরিশালকে ১২১ রানে আটকে দেন। মাহমুদউল্লাহ ৩৬ ও করিম জানাত ৩২ রান
করেন। জবাবে লিটন দাস (৩৯ বলে ৩৬), আন্দ্রে রাসেল (১৬ বলে ৩০*) ও খুশদিল শাহর (১৯
বলে ২৩*) ব্যাটে ৯ বল থাকতে জয় তুলে নেয় কুমিল্লা।
আজ প্রথম ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটর্সের বিপক্ষে
মাত্র ১১৮ রানের পুঁজি নিয়েও ১৫ রানের জয় তুলে নেয়ার কৃতিত্ব দেখাল চট্টগ্রাম। দল
দুটি আগেই বিদায় নেয়ায় এই ম্যাচের গুরুত্ব সেই অর্থে তেমন ছিল না। লো-স্কোরিং
ম্যাচে ১১৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ঢাকা ৯ উইকেটে ১০৩ রান তুলতে সমর্থ হয়।
আরাফাত সানীর ঘূর্ণিতে বেসামাল চট্টগ্রাম
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৮ রান তুলতে সমর্থ হয়। সানী ২২ রানে চারটি উইকেট
নেন। চট্টগ্রামের জিয়াউর রহমান ২০ বলে ৩৪ রান করেন। জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রামের
পেস বোলিংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ঢাকা। দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত আইরিশ
পেসার কার্টিস ক্যামফার মাত্র ১৫ রান দিয়ে তিনটি ও জিয়াউর রহমান ১৫ রানে দুটি
উইকেট নিয়ে ঢাকাকে কোনঠাসা করে রাখেন। আরেক পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ২৯ রানে নেন
দুটি উইকেট। শেষ দিকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোয় ছোট লক্ষ্যটাও ছোঁয়া হয়নি
ঢাকার। অধিনায়ক নাসির হোসেন ৩৩ বলে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন। সৌম্য সরকার করেন ২১
রান।
এই হারের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল ঢাকার এবারের
মিশন। ১২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এ মুহূর্তে টেবিলের পাঁচ নম্বরে নাসিরের দল। এক
ম্যাচ কম খেলা চট্টগ্রামও সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে অবস্থান করছে। তলানিতে
থাকা খুলনা ১০ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে।










