বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ক্রিকেট তারকাদের একজন বাবর আজম। ব্যাট হাতে রানের ফুলকি ছোটানোর পাশাপাশি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নেতৃত্বেও নজর কাড়ছেন। প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটারদের। সেই বাবর আজমের নেতৃত্বেই কিনা পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ভরাডুবি হলো করাচি কিংসের। প্রথম আট ম্যাচে টানা হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের।
শুক্রবারের আগ পর্যন্ত টানা আট ম্যাচে হারা করাচি কিংস ২০২১ আসরের এলিমিনেটর ম্যাচে হেরে যায় পেশোয়ার জালমির কাছে। সব মিলিয়ে, টানা নয় হার তাদের নামের পাশে। শুক্রবার লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষে হারলেই ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি২০ লিগে ষষ্ঠ দল হিসেবে টানা দশ হারের স্বাদ পেত তারা। যদিও পরশু রাতের ম্যাচে ২২ রানে জিতেছে বাবরের দল।
টানা ১০ বা তার বেশি ম্যাচ হেরেছে যারা:
সিডনি থান্ডার: ১৯ (বিগ ব্যাশ, ২০১১-১২ থেকে ২০১৩-২০১৪): বিগ
ব্যাশের অভিষেক আসরে তৃতীয় ম্যাচে পরাজিত হয় সিডনি থান্ডার, এরপর তৃতীয় আসরের সপ্তম ম্যাচের আগে আর জেতা হয়নি তাদের। ২০১২-১৩ আসরে আট ম্যাচের আটটিতেই হেরে যায় তারা, যা বিগ ব্যাশের ইতিহাসে আর কখনো ঘটেনি।
সেন্ট লুসিয়া জুকস/স্টারস: ১৪ (সিপিএল, ২০১৬ থেকে ২০১৮): ক্যারিবিয়ান
প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ২০১৬ সালে এলিমিনেটর ম্যাচে ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের কাছে হারের আগ পর্যন্ত লিগটিতে মোটামুটি ভালো রেকর্ড ছিল সেন্ট লুসিয়া জুকসের। যদিও পরবর্তী জয়ের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয় দুই বছর!
পরে নাম পাল্টে রাখা হয় সেন্ট লুসিয়া স্টারস। কিন্তু তারার আলো তাদের ওপর থেকে যেন উধাও। পরের আসরে নয়টি হার, একটি ম্যাচ থাকে ফলহীন। ২০১৮ আসরের পঞ্চম ম্যাচে যখন আরাধ্য জয়টি ধরা দেয় ততক্ষণে স্টারসের নামের পাশে টানা ১৪ পরাজয় লেখা হয়ে যায়। অথচ এ সময়ে দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ড্যারেন স্যামি, যিনি একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে দুটি টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০১৮ সালে এসে দলটির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন কাইরন পোলার্ড।
পুনে ওয়ারিয়র্স: ১১ (আইপিএল, ২০১২-২০১৩): আইপিএলে
তিন মৌসুম খেললেও কখনই জ্বলে উঠতে পারেনি ওয়ারিয়র্স। ১২ জয়ের বিপরীতে তাদের হার ৩৩। এর মধ্যে ২০১২ সালটি তাদের সবচেয়ে বাজে কেটেছে। তখন দলটি টানা ১১ ম্যাচে হেরেছে। সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীন দলটি অবশ্য তখন পায়নি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করা যুবরাজ সিংকে।
দিল্লি ডেয়ারডেভিলস: ১১ (আইপিএল, ২০১৪-২০১৫): দিল্লি
ক্যাপিটালস এখন আইপিএল মাতাচ্ছে: টানা তিনটি আসরে প্লে-অফ আর ২০২০ আসরে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলেছে দলটি। অথচ রাজধানী শহরের এই দলটি যখন ডেয়ারডেভিলস নামে খেলেছে তখন টানা ১১ হারের লজ্জাজনক রেকর্ডও আছে। ২০১৪ ও ২০১৫ আসর মিলে টানা ১১ ম্যাচে হেরেছে ডেয়ারডেভিলস। টানা ছয় আসরে শীর্ষ চারের বাইরে ছিল ডেয়ারডেভিলস, এর মধ্যে দুবার ছিল টেবিলের একেবারে তলানিতে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালে ৪৪ ম্যাচের মধ্যে তারা মাত্র দশটিতে জিততে সমর্থ হয়।
অ্যান্টিগা হকসবিলস: ১০ (সিপিএল, ২০১৩ থেকে ২০১৪): ফ্র্যাঞ্চাইজিটি
সিপিএলে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতে খুব খারাপ সময় পার করে। দুই মৌসুমে ১৬ ম্যাচ খেলে জিতেছে মাত্র দুটি। এর মধ্যে টানা ১০ ম্যাচ হারের লজ্জা বরণ করে তারা। পরিশেষে ২০১৫ সালে তাদের জায়গা নেয় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। ক্রিকইনফো










