পারফরমেন্স, থিয়েটার ও ফটোগ্রাফি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন ঋতু সাত্তার। তার নির্মিত দ্বিতীয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শবনম’। শর্টফিল্মটি একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রিত হয়েছে। রটারড্যামে অফিশিয়ালি আমন্ত্রিত হওয়ার পাশাপাশি আমোদো টাইগার শর্টস প্রতিযোগিতার জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।
‘শবনম’ ঋতু সাত্তার নির্মিত দ্বিতীয় শর্টফিল্ম। এর আগে তিনি নির্মাণ করেছিলেন ‘লস্ট টিউন’ বা হারানো সুর। এ চলচ্চিত্রও রটারড্যামে অংশগ্রহণ করেছিল। শবনম নিয়ে ঋতু সাত্তার কাজ শুরু করেন ২০১৯ সালে। এরপর দুই দফায় কাজ করে তিনি সিনেমাটি শেষ করেন। গত সেপ্টেম্বরে শবনমের কাজ শেষ হয়। শর্টফিল্মটিতে মসলিন তৈরির ইতিহাসের কিছু অংশ নিয়ে এসেছেন নির্মাতা।
সিনেমাটি নিয়ে রটারড্যামের ওয়েবসাইটে লেখা আছে, ‘শবনম ছবিতে মসলিন তৈরির খণ্ডিত ইতিহাস এবং সারা বিশ্বের আর্কাইভজুড়ে এর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ডকুমেনটেশন এক টুকরোয় এক সঙ্গে সেলাই করা হয়েছে, যার মুখোমুখি হওয়া আশ্চর্যের বিষয়।’
শর্টফিল্মটির টিজার দেখেও বোঝা যাচ্ছে, মসলিনের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। সিনেমার গল্প ও রটারড্যামে প্রদর্শনী নিয়ে শবনমের নির্মাতা ঋতু সাত্তার বলেন, ‘ছবিটা মসলিনের সূত্র ধরে আমাদের পরিচয়ের যে টুকরো হয়ে যাওয়া হিস্ট্রি, তাতে একটা কন্টিনিউটি তৈরি করতে চায়। এ ধরনের ছবি আর্টিস্ট মুভিং ইমেজ হিসেবে রটারড্যামই শুধু না, বারলিনালেও দেখাচ্ছে বহু বছর ধরে। এ কাজ আমি করেছি আমার একক প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে। রটারড্যামে অংশগ্রহণ আমার জন্য বাড়তি পাওনা এবং অত্যন্ত আনন্দেরও বটে।’
শর্টফিল্মটিতে ডকুমেন্টারি ধাঁচের পাশাপাশি মসলিন তৈরির ব্যাপারটিও দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। তাঁতি ও ধুনারিদের অংশগ্রহণ রয়েছে চলচ্চিত্রে। শর্টফিল্মের দৃশ্য নির্মাণে ক্যামেরায় ছিলেন ইশতিয়াক হোসাইন, মুনেম ওয়াসিফ, মো. সোহাগ ও সজল হোসেন। সাউন্ড ডিজাইন করেছেন ঋতু সাত্তার এবং সঙ্গে ছিলেন আরমিন মুসা।









