ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্বাচন আগামীকাল। ৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে এবার একমাত্র নারী প্রার্থী অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নির্মাতা রাশেদা আক্তার লাজুক। বিগত নির্বাচনে এমনটি দেখা যায়নি বললেই চলে। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে। সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা এবং সংগঠনের জন্য কিছু একটা করার দায়বদ্ধতা থেকেই লাজুক এসএ হক অলিক-ফরিদুল হাসান প্যানেল থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন।
কেন নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জানতে চাইলে লাজুক বলেন, ‘এবারই প্রথম নয়, এর আগেও ডিরেক্টরস গিল্ডের কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। পরে আর নির্বাচন করা হয়নি। তবে এবার উপলব্ধি করেছি আমার আবারো নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত। নির্মাতাদের উন্নয়ন, সংগঠনকে এগিয়ে নেয়া ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই আমি প্রার্থী হয়েছি। নির্মাতাদের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ চাই। পরিচালক হচ্ছে ক্যাপ্টেন অব দ্য শিপ। সেই ক্যাপ্টেনই তো নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে যাবেন। সেই পরিচালকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, সম্মান ও কাজের স্বাধীনতার জন্য এ নির্বাচনে আসা। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ সদস্যরা আমাকে ভালোবাসেন, তার প্রমাণ আমি বিগত দিনে পেয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে একজন পরিচালকই প্রকৃত হিরো। কাজের ক্ষেত্রে শিল্পী ও কলাকুশলীরা নির্মাতার অলংকার মাত্র। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা সে জায়গাটা হারিয়ে ফেলেছি। আমার শ্বশুর চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনসহ সে সময়ের গুণী নির্মাতারা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দাপটের সঙ্গে কাজ করতেন। আমি নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্মাতাদের সে অবস্থান ফিরিয়ে আনব। আমার দর্শনে কোনো নির্মাতা ছোট কোনো নির্মাতা বড় হয় না। শুধু কন্টেন্টের পার্থক্য হয়। আমি পরিচালকের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নেব।’
১৯৯৪ সালে চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায় ‘আজকের প্রতিবাদ’ সিনেমার মাধ্যমে মিডিয়ায় পা রাখেন লাজুক। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে আজ প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবে জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করে তাকে খানিকটা বিরতি নিতে হয়েছিল। সেই বিরতি কাটিয়ে ফের অভিনয়ে ফেরেন তিনি।










