জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিশ্বব্যাপী তুলে নিয়েছে এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। তবে শঙ্কায় ফেলেছে চীনের কভিড পরিস্থিতি। যা ছবির চূড়ান্ত আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।

সিএনবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, ডিজনির সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ১০৩ কোটি ডলার আয় করেছে। উত্তর আমেরিকার স্থানীয় বাজারে টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ও আন্তর্জাতিক বাজারে আয় দাঁড়িয়েছে ৭১ কোটি ২০ লাখ ডলার।

‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ রিলিজের ১৪ দিনে বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অর্জন করে। ২০০৯ সালের প্রথম কিস্তির চেয়েও পাঁচ দিন আগে। এর মাধ্যমে দ্রুততম বিলিয়ন ডলার আয়ের শীর্ষ পাঁচটি চলচ্চিত্রে স্থান পেল ‘অ্যাভাটার টু’৷

পরিচালক জেমস ক্যামেরন আগে বলেছিলেন, বক্স-অফিসে ২০০ কোটি ডলার আয় করলেই ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ লাভজনক হিসাবে বিবেচিত হবে।

বক্স-অফিস বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারবে সাইফাই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে মুক্তি পাবে ‘অ্যান্ট-ম্যান’ সিরিজের নতুন ছবি। ততদিন পর্যন্ত বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিযোগী নেই।

‘অ্যাভাটার’ সিনেমার রি-রিলিজ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আয় ২৯০ কোটি ডলার। কিন্তু পূর্বাভাস বলছে, নতুনটি প্রথম কিস্তিকে ছাড়াতে পারবে না। এর পেছনে করোনা পরবর্তী সিনেমা বাজারের কথা বলছেন তারা।

চীনে কভিড পরিস্থিতিতে টিকিট বিক্রির হার হ্রাসের কারণে উদ্বিগ্ন বিশ্লেষকরা। কারণ এ বাজারকে সিক্যুয়েলটির আয়ের প্রধান একটি উত্স ধরা হয়েছিল। এরই মধ্যে পূর্বাভাসের চেয়ে কম আয় করেছে চীনের বাজারে।