টম অ্যান্ড জেরিকে সবাই এক নামে চেনে। ১৯৪০ সালে উইলিয়াম হানা ও জোসেফ বারবারার হাতে শুরু হয়েছিল এ কার্টুন সিরিজ। এরপর দিনে দিনে জনপ্রিয়তা বেড়েছে বৈ কমেনি। কার্টুনটি এখনো নানা বয়সীর কাছে জনপ্রিয়। ইঁদুর-বিড়াল লড়াইয়ের গল্পের মধ্যে আছে কিছু রূপকও। সিরিজটি জনপ্রিয় মূলত টম ও জেরির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে ঘটে যাওয়া নানা মজার ঘটনার কারণে। তবে এতদিন টম অ্যান্ড জেরিকে আমেরিকার গৃহস্থালি ও রাস্তাঘাটেই দেখা গেছে। কিন্তু কার্টুন সিরিজটি এশিয়ায়ও সমান জনপ্রিয়। সূচনার ৮০ বছরেরও বেশি সময় পর টম অ্যান্ড জেরিকে নিয়ে আসা হচ্ছে এশিয়ায়। এবার সিঙ্গাপুরের রাস্তাঘাটে দেখা যাবে টম ও জেরিকে।
টম অ্যান্ড জেরির এ নতুন কার্টুনটি নির্মিত হবে এশিয়ায়ই। প্রাথমিক পর্যায়ে ৫-৭ মিনিটের ছোট ছোট এপিসোড তৈরি করা হবে। এশিয়ায় নির্মাণ করা হলেও তা নির্মিত হবে ওয়ার্নার ব্রোসের তত্ত্বাবধানে। সিরিজ কতটা লম্বা হবে তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পাইলট প্রজেক্টোর অধীনে একটি এপিসোড মুক্তি পাবে আগস্টে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুসারে টম অ্যান্ড জেরির এ সংস্করণটি এশিয়ায় দেখানো হবে কার্টুন নেটওয়ার্কে। এছাড়া ‘এইচবিও গো’য় প্রচার করা হবে, যেটি মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, তাইওয়ান ও হংকংয়ের দর্শকের জন্য।
প্রজেক্টটি করা হচ্ছে ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারির কার্লিন ট্যানের অধীনে। প্রধান পরিচালক হিসেবে থাকছেন বিবেক বোলার। টম অ্যান্ড জেরির সংস্করণটির অ্যানিমেশন তৈরি করা হবে ভারতে। কাজটি করবে অউম অ্যানিমেশন ইন্ডিয়া। গল্প ডিজাইন করা হবে সিঙ্গাপুরের রোবো প্লেগ্রাউন্ড মিডিয়া ও চিপস অ্যান্ড টুন স্টুডিওতে।
ওয়ার্নার ব্রোসের দক্ষিণ এশীয় শিশুতোষ কনটেন্টের প্রধান ক্রিস্টোফার হো। টম অ্যান্ড জেরির নতুন সংস্করণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হানা বারবারার মূল কার্টুনে থাকা মিউজিক দিয়েই আমরা নতুন সংস্করণটি তৈরি করছি। এমনকি টম ও জেরির থিমও থাকছে মৌলিক। বদলানো হচ্ছে কেবল পটভূমি। এবার টম ও জেরিকে দেখা যাবে এশিয়ার পটভূমিতে।’ ভ্যারাইটির সিরিজ ব্যবস্থাপনার ভাইস প্রেসিডেন্ট বিষ্ণু আত্রেয় বলেন, ‘পৃথিবীর জনপ্রিয়তম দুটি কার্টুন সিরিজের মধ্যে টম অ্যান্ড জেরি একটি। আমার বিশ্বাস, এশীয় দর্শকরা এবার নিজেদের শহরে টম ও জেরিকে দেখে তাদের আরো আপন করে নেবে।’
সূত্র: ভ্যারাইটি










