ফের আলোচনায় পপ তারকা শাকিরা। তার বিরুদ্ধে উঠেছে কর ফাঁকির অভিযোগ। তবে এটি প্রথমবার নয়। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার শাকিরার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ এনেছে স্পেন সরকার। এর আগেও তিনি একই অভিযোগের মুখে পড়েছিলেন। এবার নতুন করে বিপুল পরিমাণ কর ফাঁকির অভিযোগ উঠল। স্প্যানিশ ফুটবল তারকা জেরার্ড পিকের সঙ্গে বার্সেলোনায় থাকাকালীন শাকিরা বিপুল পরিমাণ কর ফাঁকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে স্পেন সরকার।
এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাকিরা ২০১৮ সালে ৭১ লাখ ইউরো কর ফাঁকি দিয়েছেন। এছাড়া এল ডোরাডো ওয়ার্ল্ড ট্যুরের জন্য তিনি কয়েক লাখ ইউরো অগ্রিম নিয়েছিলেন। এবিসি জানিয়েছে, ওই সময় নেয়া অগ্রিম অর্থের তথ্য তিনি গোপন করেছেন। গত জুলাইয়ে এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। গত মঙ্গলবার তার কর ফাঁকি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
শাকিরার বর্তমান বয়স ৪৬ বছর। তিনি মিয়ামিতে বসবাস করছেন। সেখানে আছে শাকিরার লিগ্যাল টিম। কর ফাঁকিসংক্রান্ত বিষয়ে তারা এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে নানা গণমাধ্যমে। গত বছর নভেম্বরে বার্সেলোনায় ছয়টি পৃথক কর ফাঁকির মামলায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন শাকিরা। এর আগেও শাকিরা করসংক্রান্ত অভিযোগে পড়েছিলেন। ২০১২-১৪ সালের মধ্যে ১ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের এখনো কোনো সুরাহা হয়নি। বর্তমানে শাকিরার আইনি দল এসব মামলায় লড়ছেন।
এর আগে কর ফাঁকির অভিযোগ তোলা হয়েছিল ২০২১ সালের জুলাইয়ে। সে সময় বার্সেলোনার প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেছিলেন, তার কর দেয়া উচিত ছিল। এর যুক্তি হিসেবে তারা বলেন যে শাকিরা ২০১২-১৪ সালের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সময় স্পেনে বসবাস করেছেন। সে হিসেবে শাকিরার কাছে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি টাকা (ইউরো) পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রসিকিউটরদের মতে, এ অর্থ প্রদান করা শাকিরার দায়িত্ব।
কিন্তু কর ফাঁকির অভিযোগ বরাবরই নাকচ করেছেন শাকিরা। এ সম্পর্কে গত সেপ্টেম্বরে কথা বলেছিলেন তিনি। এল ম্যাগাজিনের স্প্যানিশ সংস্করণে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘এ মামলা আমার সমর্থনে যাবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী। কেননা আমার কাছে এ নিয়ে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। তাই বিশ্বাস করি, ন্যায়বিচার আমার পক্ষেই আসবে’।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস










