রিডলি স্কট পরিচালিত ইতিহাসনির্ভর সিনেমা ‘নেপোলিয়ন’। সিনেমাটি মুক্তি পাবে আজ। তবে তা আমেরিকায়। এর আগে সিনেমাটি কিছু জায়গায় মুক্তি পেয়েছে। প্রিমিয়ার হয়েছে আরো কয়েকটি ভেনুতে। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার আগেই নেপোলিয়ন নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক কথা বলা হচ্ছে। এর বেশির ভাগই আসছে ফ্রান্স থেকে। কেননা ফরাসি নায়ককে নিয়ে নির্মিত সিনেমায় তারা নানা ফাঁক খুঁজে পাচ্ছেন। কিন্তু এসবে তেমন পাত্তা দিচ্ছেন না রিডলি স্কট।
সিনেমাটি নিয়ে নানাজন নানা রিভিউ দিচ্ছেন। দ্য গার্ডিয়ানের সমালোচক পিটার ব্র্যাডশ সিনেমাটিকে পাঁচ তারকা দিয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রেঞ্জ জিকিউ ম্যাগাজিন লিখেছে, সিনেমাটি আনাড়িভাবে তৈরি এবং এতে কোনো বাস্তবতা নেই। এছাড়া তাদের অভিযোগ সিনেমায় আমেরিকান উচ্চারণে ফরাসি ভাষায় কথা বলেছেন অভিনেতারা। এছাড়া লা ফিগারো ব্যঙ্গ করে বলেছেন সিনেমাটির নাম ‘বারবি অ্যান্ড কেইন আন্ডার দি এম্পায়ার’ দেয়া যেত। অন্যদিকে নেপোলিয়নের জীবনীকার প্যাট্রিস জেনিফে লা পয়েন্টকে বলেছেন সিনেমাটি ফরাসি-বিরোধী ও ব্রিটিশদের এখানে বড় করে দেখানো হয়েছে।
এদিকে বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে রিডলি স্কট বলেন, ‘ফরাসিরা নিজেদেরই পছন্দ করে না। কিন্তু যে ফরাসি দর্শকদের আমি সিনেমাটি দেখিয়েছি তারা সিনেমাটি পছন্দ করেছেন।’ রিডলি স্কট তার সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার করেছিলেন প্যারিসে। সে প্রদর্শনীর পর সিনেমাটি নিয়ে ভ্যারাইটি একটি রিভিউ করেছিল। তাদের মতে, সিনেমাটি রিডলির অন্যান্য সিনেমার মতো না। ভেনেসা কিরবির সঙ্গে জোয়াকিন ফিনিক্সের রসায়নটা গড়ে উঠতে উঠতে সিনেমাটি একটু ভিন্ন রকম গতিতে চলে।
হলিউডের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে রিডলি বড় একটি নাম। বহু ইতিহাসনির্ভর সিনেমা তিনি নির্মাণ করেছেন। তবে এবারের সিনেমাটি মুক্তির আগেই নানা কথা হচ্ছিল। এর মধ্যে নানা সময় প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে বেশ কড়া ভাষায়ই কথা বলেছেন নির্মাতা। তিনি একবার বলেন, ‘ইতিহাসনির্ভর বহু সিনেমা আমি নির্মাণ করেছি। এসব করতে গিয়ে নানা ধরনের লেখা পড়েছি। একটা ঘটনার ১০০ বছর পর হয়তো একজন লিখেছেন। তিনি অনেক কাল্পনিক কথা যুক্ত করেছেন। আমার সিনেমা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কিন্তু এসব লেখায় কতটা সত্য থাকে? জেরুজালেম নিয়ে যিনি লিখছেন সেখানে কি উনি ছিলেন? ওই বিষয়গুলো কতটা নির্ভরযোগ্য?’
সূত্র: ভ্যারাইটি










