সিনেমা নির্মাণ কমিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের নারী নির্মাতারা। যা কিছু নির্মাণ হচ্ছে, তাও মুক্তি পাচ্ছে না। ২০২২ সালে এসে তাদের নির্মিত সিনেমা ৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। এ বছর যুক্তরাজ্যে নির্মিত ও মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার সংখ্যা ৫৮৮ এবং এর মধ্যে ১৪৩টির নির্মাতা নারী। শতকরা হিসাবে মোট সিনেমার ২৪ শতাংশের নির্মাতা নারী। আবার সহপরিচালনার হিসাব ধরলে ৫০ শতাংশ সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে নারীরা যুক্ত বলে ধরা যায়। কিন্তু এ বছর ২৪ শতাংশ নির্মাতার হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, তা গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কম। গত বছর ১৬৬টি সিনেমার নির্মাতা ছিলেন নারী, যা মুক্তি পাওয়া মোট সিনেমার ৩০ শতাংশ।
নারী নির্মাতা প্রধান সিনেমা সংস্থা বার্ডস আই ভিউ তাদের গবেষণা থেকে এ তথ্য পেয়েছে। ২০২১ সালে নারী নির্মাতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ২০২২ সালে তা কমে গেল। তবে তারা জানাচ্ছে, এ সময়ে এসে কোনো একটি প্রজেক্টে নির্মাণের ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকে। পূর্বের তুলনায় পুরো কাজে তাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে বেশি। যুক্তরাজ্যের বক্স অফিসে সফল ১০০ সিনেমার মধ্যে ১১টির নির্মাতা নারী। অলিভিয়া ওয়াইল্ড পরিচালিত ‘ডোন্ট ওরি ডালিং’ আছে ২৬ নম্বরে। সিনেমাটি যুক্তরাজ্যের নারী নির্মাতাদের নির্মিত সিনেমার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। এর আয় প্রায় ৮ কোটি ডলার।
অলিভিয়া নিউম্যানের ‘ হোয়্যার দ্য ক্রড্যাডস সিং’ রয়েছে তালিকায় ৩৩ নম্বরে। সনি পিকচার্সের সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় ১৪ কোটি ডলার। আয় খুব বেশি না হলেও সিনেমাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে বেশ। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় ‘দ্য ওম্যান কিং’ সিনেমাটির কথা। জিনা প্রিন্সের সিনেমাটি এ বছর দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। বেশ আশা জাগিয়েও অবশ্য ব্যবসার দিক থেকে খানিকটা পিছিয়ে ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রেজারেকশনস’। তবে লালা ওয়াচেসকি পরিচালিত সিনেমাটি দর্শকের আলোচনার কেন্দ্রেই ছিল। সব মিলিয়ে বলা যায় সংখ্যায় কমলেও নারী নির্মাতাদের নির্মিত সিনেমার প্রভাব এখনো কম নয়।
সূত্র: স্ত্রিন ডেইলি










