তারকা মানেই সামান্য বিষয়েও বেশি আলোড়ন। এসএস রাজামৌলির ক্ষেত্রেও সেই ঘটনাই ঘটেছে। একটা সিনেমার টাইটেল প্রকাশ নিয়েই চারদিকে মাতামাতি। অথচ সিনেমাটির পোস্টার নিয়েও হয়েছে নানা বিদ্রুপ। তবে টাইটেল প্রকাশের সময় এবং তার পরেও মহেশ বাবুর লুক নিয়ে ইতিবাচক কথাই হচ্ছে। অনেকে তো বলেও ফেলছেন, সিনেমাটা ৬ হাজার কোটি রুপি আয় করবে। অথচ ফার্স্ট লুকে মহিষের পিঠে মহেশকে দেখা গেছে, যা এমন কোনো আহামরি দৃশ্য ছিল না।
হায়দরাবাদের এক অনুষ্ঠানে ‘বারাণসী’র টাইটেল প্রকাশ করেন রাজামৌলি। সঙ্গে ছিল মহেশ বাবুর লুক। মহেশ বাবু তেলেগু সুপারস্টার। কিন্তু তার এক্সপ্রেশন নিয়ে আছে নানা সমালোচনা। তিনি একই রকম অভিব্যক্তি দিয়ে সব সিচুয়েশনে অভিনয় করেন। দর্শক ও মহেশভক্তরা বলছেন, রুদ্র চরিত্রে এবার তিনি একেবারেই ভিন্নভাবে দেখা দেবেন। সিনেমায় আরো আছেন প্রিয়াংকা চোপড়া জোনাস ও পৃথ্বীরাজ সুকুমার।
এদিকে রামোজি ফিল্ম সিটিতে শনিবার রাতে জড়ো হয়েছিল প্রায় ৫০ হাজার মহেশভক্ত। শোনা যাচ্ছিল তাদের বজ্রনিনাদ, ‘জয় বাবু, জয় জয় বাবু’।
এরপর অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী শ্রুতি হাসান মঞ্চে পরিবেশন করেন সিনেমার গান ‘সঞ্চারী’। গানটির সুর করেছেন এমএম কীরাবাণী। এছাড়া সিনেমার খল চরিত্র কুম্ভর আবহসংগীতও দর্শকের সামনে আনেন কীরাবাণী।
টাইটেল প্রকাশে মহেশের ফুটেজটি বড় পর্দায় দেখানো হয়। এলইডি পর্দাটি চালু করতে কয়েকবার চেষ্টা করতে হয়েছে। রাজামৌলি সবসময়ই বড় পরিসরে সিনেমা নির্মাণ করতে পছন্দ করেন। এবারো ব্যতিক্রম হয়নি। বারণসীর গল্প হাজার বছর ব্যাপ্তির। রামায়ণের একটি গল্প থেকে এর অনুপ্রেরণা নেয়া হয়েছে বলে রাজামৌলি জানান। তিনি বলেন, ‘শৈশব থেকেই বহুবার ভেবেছি ‘‘মহাভারত’’-এর মতো বড় পরিসরের একটা সিনেমা বানাব। এ সিনেমা শুরু করার সময়ও ভাবলাম, রামায়ণ থেকে অন্তত একটি প্রধান গল্প আমাকে নিতে হবে।’
সূত্র: ভ্যারাইটি










