ধানুষকে উদ্দেশ করে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন নয়নতারা। ধানুষ তাকে অনুমতি দেননি একটি সিনেমার ক্লিপ ব্যবহার করার। সে সূত্র ধরেই অভিযোগ করেছেন নয়নতারা। মূলত ‘নানুম রৌডি ধান’ সিনেমাটি প্রযোজনা করেছিলেন ধানুষ। অভিনয় করেছিলেন নয়নতারা। সে সিনেমার কিছু দৃশ্য ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ধানুষ সে অনুমতি দেননি। তাই নয়নতারা ধানুষকে উদ্দেশ করে খোলা চিঠি দিয়েছেন। তার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা হয়েছে তা। আইনি নোটিসও থাকছে তার সঙ্গে। ১০ কোটি রুপির লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে ধানুষকে।

খোলা চিঠিতে নয়নতারা লেখেন, ‘আপনার মতো একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠিত অভিনেতার, যিনি নিজের বাবা ও ভাইয়ের সমর্থন ও আশীর্বাদ পেয়েছেন—এটা ভালো করে পড়া ও বোঝা উচিত। আপনি জানেন, আমাকে সিনেমায় টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়। কেননা আমি নিজেই নিজেকে তৈরি করেছি। আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না এ দুনিয়ায়। অনেক দিন ধরে সংগ্রাম করে আমাকে এখানে আসতে হয়েছে। সে কারণে আমি কাজের প্রতি সৎ থাকি, কেননা আমার কোনোকিছুই গোপন না আর দর্শককে সবসময় ভালো অভিনয়টাই উপহার দিতে চাই।’

ধানুষকে তার পরিবারের কথা বলে নেপোটিজমের অভিযোগ করা হয়েছে। নয়নতারার সে রকম কিছু নেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। সে কথা তুলেই তিনি আসলে বলতে চাইলেন, তার প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে। নয়নতারার জীবনী নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে। নাম নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেইরি টেল’। এর জন্যই নানুম রৌডি ধান থেকে কিছু দৃশ্য প্রয়োজন ছিল তার।

চিঠিতে নয়নতারা আরো লেখেন, ‘আমাকে নিয়ে নির্মিত নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্রটির জন্য দর্শক অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছে। এর জন্য বহুদিন আমরা কাজ করছি। এতে আমার বহু সিনেমা, বিয়ের অনুষ্ঠান ও অন্যান্য ভিডিও ক্লিপ থাকবে। সিনেমার ক্লিপগুলো সবাই খুশি হয়েই আমাকে দিয়েছে। কিন্তু আপনিই নানুম রৌডি ধানের ক্লিপ দিলেন না। এতে আমার তেমন কোনো ক্ষতি হবে না, তবে তথ্যচিত্রটি যারা নির্মাণ করছেন তাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।’

ধানুষের এ কাজ প্রতিশোধপরায়ণতা বলে উল্লেখ করেছেন নয়নতারা। কিন্তু কীসের প্রতিশোধ, তা উল্লেখ করেননি অভিনেত্রী।

সূত্র: ইয়ন