জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ। চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্পীকল্যাণ ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এবার আরো একটি নতুন দায়িত্ব পেলেন। প্রাণিকল্যাণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত সচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থার দূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী। এখন থেকে বন্যপ্রাণীর অধিকার সংরক্ষণে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করবেন নওশাবা।

অভিনয়ের পাশাপাশি দেশের নানা ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ। শুধু তা-ই নয়, পশু-প্রাণীদের প্রতিও সহানুভূতিশীল তিনি। নতুন খবর হলো প্রাণিকল্যাণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত সচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় একটি প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থার দূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তিনি।

১৭ মার্চ ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক কনজারভেশন ফাউন্ডেশনের (ডিইএসসিএফ) ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

সেখানে বলা হয়, ‘অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী কাজী নওশাবা আহমেদ আমাদের সংস্থার সঙ্গে “‍অ্যাম্বাসেডর ফর ওয়াইল্ডলাইফ’’ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। প্রাণিকল্যাণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার সংবেদনশীলতা সবারই জানা।’

ফেসবুক পেজটিতে আরো বলা হয়, ‘‌এ যাত্রায় আমরা তার সঙ্গে সম্মিলিতভাবে প্রকৃতি ও মানুষের সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব। তার হাত ধরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেব বন্যপ্রাণীর প্রতি ইতিবাচকতার ধারণা।’ 

এ প্রসঙ্গে কাজী নওশাবা আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেকোনো প্রাণের প্রতি আমার সহমর্মিতা আছে। ডিইএসসিএফ বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করে বলে আমি ওদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। শৈশব থেকেই আমি প্রাণের প্রতি সদয়। এখনো দেখা যাচ্ছে, কত বন্য হাতি মারা যাচ্ছে, হাতিদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, অকারণে মানুষ সাপ মেরে ফেলছে, এসব আমাকে পীড়া দেয়। বিভিন্ন সময় এসব বিষয়ে আমি আওয়াজ তুলেছি। এবার সংস্থাটি অনেক দিন ধরে আমাকে অনুসরণ করত। তারা আমাকে তাদের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানালে আমি সাড়া দিয়েছি। আশা করি সামনে আরো ভালো কাজ করব।’