হ্যারি পটার টোয়েন্টিয়েথ অ্যানিভারসারি: রিটার্ন টু হগওয়ার্টস মুক্তি পেয়েছে অ্যামাজন প্রাইমে। বিশ্বজুড়ে অধীর আগ্রহে পটারভক্তরা এর অপেক্ষায় ছিলেন। সিরিজের প্রথম সিনেমা হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার’স স্টোন মুক্তির ২০ বছর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে প্রামাণ্যচিত্র গোত্রের এ চলচ্চিত্র। মুক্তির পর পরই এ ছবি নিয়ে ভক্তদের রিভিউ ও প্রতিক্রিয়া জানান দিচ্ছে সিরিজের ছবিগুলোর মতো এ পুনর্মিলনীর আয়োজনও বড় সাফল্য পাবে। ছবিতে হ্যারি পটারের প্রায় সব অভিনয়শিল্পী উপস্থিত হয়ে শুটিংয়ের স্মৃতিচারণ করেছেন।

রিটার্ন টু হগওয়ার্টসে এক ছাদের নিচে আড্ডা দিয়েছেন ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ, এমা ওয়াটসন, রুপার্ট গ্রিন্ট, টম ফেলটন, মার্ক উইলিয়ামস, হেলেনা বনহ্যাম কার্টার, গ্যারি ওল্ডম্যান, রবি কোলট্রান্স, জেসন আইজ্যাকস, জেমস ফেলপস, অলিভার ফেলপস, বনি রাইটস, আলফ্রেড এনচ, ম্যাথিউ লুইস ও রালফ ফিনস। এ পর্বে আরো হাজির হয়েছেন প্রযোজক ডেভিড হেম্যান ও পরিচালক ক্রিস কলম্বাস, আফফোনসো কুয়ারো, মাইক নিওয়েল ও ডেভিড ইয়টস।

রিটার্ন টু হগওয়ার্টসে হ্যারি পটারভক্তরা পাবেন নতুন অনেক অজানা তথ্য। যেমন শুরুতে নির্মাতাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল হ্যারি পটারের চরিত্রে একজন শিশুশিল্পীকে খুঁজে বের করা। এজন্য যুক্তরাজ্যে খোঁজখবর করা হচ্ছিল। পরিচালক ও কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবে ক্রিস কলম্বাসের মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা। এ বিষয়ে হ্যারি পটারের স্রষ্টা লেখক জেকে রাউলিংয়ের একটি বক্তব্যের ফুটেজ রিটার্ন টু হগওয়ার্টসে যুক্ত করা হয়েছে—‘আমরা হ্যারিকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। কোনোভাবেই পাওয়া যাচ্ছিল না। ব্যাপারটা আমাদের ধীরে ধীরে খুব উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিচ্ছিল।’ কলম্বাস ডেভিড কপারফিল্ডের বিবিসির অ্যাডাপটেশনে ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফকে খুঁজে পান। সঙ্গে সঙ্গে তার ও রাউলিংয়ের মাথা থেকে দুশ্চিন্তার ভার নেমে যায়।

ট্রান্স নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে প্রযোজকরা রাউলিংকে রিটার্ন টু হগওয়ার্টস থেকে দূরে রেখেছেন। কিন্তু পুরো সময়টায় তার উপস্থিতি ছিল সরব। এতে তার অনেক পুরনো ভিডিও ফুটেজ যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলোয় তিনি কথা বলেছেন ড্যানিয়েল, রুপার্ট ও এমাকে নিয়ে। উপস্থিত তারকারাও এ জাদুর দুনিয়া তৈরির জন্য রাউলিংকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

রিটার্ন টু হগওয়ার্টসে এমা ওয়াটসনকে নিয়েও জানা গেছে কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য। হ্যারি পটারে যুক্ত হয়ে নিতান্ত বালিকা বয়সেই এমা বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়ে যান। খ্যাতির বিড়ম্বনা তার পরিবারকেও আক্রান্ত করেছিল। তাই তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে দেয়ার কথাও ভেবেছিলেন। তারপর ধীরে ধীরে মনকে শক্ত করে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন।

 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া