আর্জেন্টিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রিকি মার্টিন। পুয়ের্তো রিকোর গায়ক, অভিনেতা রিকি মার্টিন নব্বইয়ের দশকে ছিলেন দুনিয়াজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়। ১৯৯৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপে অফিশিয়াল সং ছিল তার গাওয়া ‘লা কোপা দে লা ভিদা’ বা কাপ অব লাইফ। রিকি মার্টিনসহ দুনিয়ার অনেক খ্যাতিমান সংগীতশিল্পীরা কাতার বিশ্বকাপ জয়ে আর্জেন্টিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। রিকি মার্টিন ছাড়াও এ তালিকায় আছেন ড্যাডি ইয়াংকি, নিয়াল হোরান, কিড কুডি প্রমুখ।
নিজে আকাশি-সাদা জার্সি গায়ে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করেছেন, সে ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ওহ ঈশ্বর! এটা অসাধারণ! অভিনন্দন!’
আইরিশ গায়ক নিয়াল হোরান টুইট করেছেন, ‘কী অসাধারণ একটা ফুটবল ম্যাচ! অভিনন্দন আর্জেন্টিনা।’ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ফাইনালে আর্জেন্টিনা বারবার এগিয়ে গিয়েও নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ জিততে পারেনি। প্রতিবারই খেলায় ফিরে এসেছে ফ্রান্স। শেষমেশ পেনাল্টি শুট আউটে ৪-২ গোলে জিতে গিয়েছে আর্জেন্টিনা।
অনেক সংগীত তারকা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেসিকে বিশ্বকাপ জেতার জন্য। প্রযোজক মার্শমেলো টুইট করেছেন, ‘ মেসি মেসি মেসি।’ ব্রিটিশ গায়ক বয় জর্জ লিখেছেন, ‘ওয়াও! আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্স, অসাধারণ একটা ম্যাচ! ফ্রান্সের জন্য খারাপ লাগছে কিন্তু মেসির জন্য গর্বিত।’
কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের আগে লুসাইল স্টেডিয়াম মাতিয়েছেন বিভিন্ন দেশের সংগীতশিল্পীরা। গেয়েছেন আমেরিকান-নাইজেরিয়ান শিল্পী ডেভিডো ও কাতারি গায়িকা আয়েশা (হায়া হায়া)। পুয়ের্তো রিকোর তারকা ওজুনা ও ফরাসি র্যাপার গিমসকে দেখা গিয়েছে গাইতে। লাইট দ্য স্কাই দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন।
ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার জাতীয় সংগীত গেয়েছেন দেশটির তারকা লালি এসপোসিতো। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, ‘এর চেয়ে বড় স্বপ্ন আর কিছু ছিল না। সবসময় বড় স্বপ্নই দেখেছি।’ তার এ পোস্টে লাইক পড়েছে ২০ লাখেরও বেশি।
সূত্র: বিলবোর্ড









