এপ্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী লুইপা। তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার সুরে একটি মৌলিক গান করেছেন। ২০২০ সালে রুনা লায়লার সুরে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনে প্রকাশ হয় লুইপার কণ্ঠে ‘এই দেখা শেষ দেখা’ গানটি। গানটি প্রকাশের পর এখন পর্যন্ত লুইপা যতগুলো টিভি শোয় সরাসরি সংগীত পরিবেশন করেছেন, তার প্রায় সবক’টিতেই তিনি এ গান গেয়েছেন। যতবারই গানটি গেয়েছেন ততবারই শ্রোতা-দর্শক মুগ্ধ হয়েছেন। রুনা লায়লার সুরে লুইপার কণ্ঠে এ গান শ্রোতা-দর্শক পছন্দ করেছেন। গানটি লিখেছেন প্রয়াত বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন রাজা ক্যাশেফ। সর্বশেষ গত বছর রুনা লায়লার সংগীতজীবনের ষাট দশক উদযাপনে তারই সামনে লুইপা গানটি গেয়েছিলেন। তখন রুনা লায়লাও লুইপার কণ্ঠে আবারো এ গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তার কণ্ঠের প্রশংসা করেছিলেন। লুইপা বলেন, ‘আমি যখন একা থাকি, মনে মনে ভাবি কতটা সৌভাগ্য হলে জীবনে এমন সুযোগ আসে শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডামের সুরে গান করার। আমার খুব ইচ্ছে ছিল শ্রদ্ধেয় গাজী মাজহারুল আনোয়ার আঙ্কেলের গীতিকবিতায় গান করার। আমার মেয়ে পায়রার জন্মের পর একদিন তার বাসায়ও গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে রুনা ম্যামের সুর করা গানেরই গীতিকার তিনি হবেন এমনটা কল্পনায়ও ছিল না। সব মিলিয়ে আমার স্বপ্ন এমনভাবে পূরণ হলো যে এ জীবনে শুধু আমি কেন আর কারো জীবনেই এমন সমন্বয় হবে না। হতে পারে রুনা ম্যামের সুরে আমারই প্রজন্মের অন্য কেউ গাওয়ার সুযোগ পাবেন, কিন্তু গীতিকার হিসেবে গাজী আঙ্কেলকে পাওয়ার আর সুযোগ রইল না। তাই আমি যখন একা থাকি মনে মনে ভাবি সত্যিই কী সৌভাগ্য আমার, একদিকে রুনা ম্যামের সুর, অন্যদিকে গাজী আঙ্কেলের লিরিক। এক জীবনে সত্যিই এটা আসলে অনেক বড় প্রাপ্তি। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী-ইবা হতে পারে। রুনা ম্যাম আমাকে নিয়ে ভেবেছেন এটাই তো আসলে অনেক বড় বিষয়। রুনা ম্যামের প্রতি ভীষণ ভীষণ কৃতজ্ঞ আমি। তার প্রতি অসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।’
‘এক জীবনে এটাই অনেক বড় প্রাপ্তি’
এপ্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী লুইপা। তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার সুরে একটি মৌলিক গান করেছেন।










