সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে যশ চোপড়ার জীবনীনির্ভর ডকু-সিরিজ ‘দ্য রোমান্টিকস’। স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তা নেটফ্লিক্সের ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছে। এতে বলিউড নির্মাতা হিসেবে যশ চোপড়ার পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারকে উপস্থাপন করা হয়েছে। রোমান্টিক সিনেমা বানানোর ক্ষেত্রে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন যশ চোপড়া। ডকু-সিরিজটির নামকরণের যৌক্তিকতা তাই সহজেই অনুমেয়।
দ্য রোমানটিকসে দেখা যায় যশ চোপড়ার পুত্রবধূ রানী মুখার্জিকে। তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এ অভিনেত্রী। পর্দায় যশ চোপড়ার নায়িকাদের দেখে মুগ্ধ রানী। তিনি বলেন, ‘শৈশবে আমার প্রিয় সিনেমাগুলোর পরিচালক ছিলেন যশ চোপড়া। ...তিনি ও রোমান্স সমার্থক। শৈশব থেকেই যশ চোপড়ার সিনেমা আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। চাঁদনী ও লামহে আমার প্রিয় সিনেমা।’
যশ চোপড়ার নারী চরিত্র চিত্রায়ণে পামেলা চোপড়ার ভূমিকা আছে বলে বিশ্বাস করেন এ অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, যশ চোপড়ার জীবনে পামেলা চোপড়ার ভূমিকা তাকে নারীদের জন্য চমৎকার সব চরিত্র লিখতে তাড়িত করেছে। তিনি যেভাবে তার নায়িকাদের উপস্থাপন করেন পর্দায়, তা দেখে সবসময়ই বিস্মিত হই। আমি সবসময়ই কেবল যশ চোপড়ার সিনেমার নায়িকাই হতে চেয়েছি।’
তার ছবিতে নারীদের অবস্থান সম্পর্কে বলেন, ‘যশ চোপড়ার সিনেমায় নারীদের সমান ভূমিকা ছিল। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকেও অধিকতর বিস্তৃত ভূমিকা থাকত। এতে প্রমাণিত হয়, একজন নির্মাতা হিসেবে তিনি কেবল তার হৃদয়ের কথা শুনেছেন। প্রচলিত রীতির ধার ধারেননি। সিনেমায় যেভাবে তিনি তার নারীদের উপস্থাপন করেছেন, তা নারীদের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধার পরিচয় বহন করে।’
রানী মুখার্জি জানান, যশ চোপড়া ছিলেন বিনয়ী ও উৎফুল্ল। সবার প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। রানী বলেন, ‘তার সেন্স অব হিউমার ছিল অনবদ্য। যেকোনো গেট টুগেদার বা অনুষ্ঠানে তিনি থাকতেন আকর্ষণের কেন্দ্রে। চুম্বকের মতো সবাইকে কাছে টেনে নিতেন। তিনি ছিলেন সতেজ ও প্রাণবন্ত। তার খ্যাতি নিয়ে কখনো অহমিকা প্রদর্শন করতেন না তিনি ।’
দ্য রোমানটিকস নির্মাণ করেছেন স্মৃতি মুন্ধ্রা। এতে যশ চোপড়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা ৩৫ জন অভিনেতাকে একত্র করেছেন তিনি। এতে আদিত্য চোপড়ার একটি দুর্লভ সাক্ষাৎকারও আছে।
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










