কোরিয়ান পপ বা কে-পপ এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসকে অনেকে তুলনা করছেন এ যুগের বিটলস হিসেবে। দেশটির রাজধানী সিউলে কে-পপের কনসার্টের জন্য নির্মিত হচ্ছে সিজে লাইভসিটি অ্যারেনা। এটি হবে কে-পপের জন্য উৎসর্গীকৃত প্রথম কনসার্ট অ্যারেনা।

কোরিয়ার এন্টারটেইনমেন্ট কনগ্লোমারেট সিজে ইএনএমের সাবসিডিয়ারি সিজে লাইভসিটি নির্মাণ করছে এ অ্যারেনা। এ ভেনু নির্মিত হচ্ছে বড় পরিসরের কনসার্টের কথা মাথায় রেখে। এতে থাকবে ২০ হাজার ইনডোর আসন ও আউটডোরে ৪০ হাজার। ২০২৪ সালে খুলে দেয়া হবে এ অ্যারেনা।

বৃহস্পতিবার সিজে লাইভসিটি অ্যারেনার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এক জমকালে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এখানে একদিনের নোটিসে বড় আকারের কনসার্ট আয়োজন করা যাবে। সেভাবেই সবকিছু প্রস্তুত থাকবে। বছরে এ ভেনুতে অন্তত ১৯০টি কনসার্ট আয়োজন করা যাবে। এখানে থাকবে রিহার্সেল স্পেস। এতে স্টেজ প্রডাকশন ও পারফরম্যান্সের গুণগত মান বাড়বে বলে মনে করছেন নির্মাতারা। বিভিন্ন দেশে কনসার্টের পরিকল্পনা ও আয়োজনে অভিজ্ঞ কোম্পানি এইজিকে পুরো কর্মযজ্ঞে যুক্ত করেছে সিজে লাইভসিটি।

সিজে লাইভসিটি বলছে, এ মিউজিক অ্যারেনা হবে কে-পপ উপভোগের প্রাণকেন্দ্র। একই সঙ্গে এটি হয়ে উঠবে গ্লোবাণ কনটেন্ট বিজনেস টাউন, যেখানে থাকবে বিভিন্ন কালচারাল কনটেন্ট কোম্পানির অফিস, শোরুমসহ আবাসিক সুবিধা। কনসার্ট ছাড়াও চলচ্চিত্র, টিভি সিরিজ নির্মাণ ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক শোর শুটিংয়ের জন্য ব্যবহূত হবে এটি।

কনগ্লোমারেট সিজে ইএনএম দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন দুনিয়ার শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র প্যারাসাইটের পরিবেশক ছিল এ কোম্পানি। তাদের স্টুডিও ড্রাগন কোরিয়ার টিভি নাটকের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। স্ট্রিমিং প্লাটফর্মও আছে তাদের। এবার কে-পপের দুনিয়ায় সিজে ইএনএমের আগমনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে কে-পপ যে আরো বড় হয়ে ওঠার পথ পাবে সেটা নিশ্চিত বলছেন তারা।

 

সূত্র: ভ্যারাইটি