জটিল ও গুরুগম্ভীর সব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের ট্রেডমার্ক তৈরি করেছেন বলিউড অভিনেতা ভিকি কৌশল। তবে এ বছরের শেষে এসে দর্শকের কাছে নতুন এক রূপে ধরা দিলেন তিনি। অভিনয় করলেন নাচে-গানে ভরপুর বলিউডের গতানুগতিক ‘মাসালা সিনেমা’য়। তার অভিনীত সাম্প্রতিক সিনেমা ‘ গোবিন্দ নাম মেরা’ ১৬ ডিসেম্বর জনপ্রিয় অনলাইন প্লাটফর্ম ডিজনি প্লাস হটস্টারে প্রিমিয়ার হয়।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিকি কৌশল সিনেমাটি তার যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে কথা বলেন।
অতিমারী-পরবর্তী সময়ে বক্স অফিসের খেলা কীভাবে পরিবর্তন হলো, তা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন তিনি। তার মতে, কোন সিনেমা বক্স অফিসে ভালো করবে, তা এখন খুব সহজেই বোঝা সম্ভব।
প্রথমবারের মতো এমন সিনেমায় কাজ করা প্রসঙ্গে ভিকি বলেন, ‘এ গল্পে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। শশাংক প্রথম যখন সিনেমাটির কথা বলেছিল, তা এখনো আমার মনে আছে। সময়টা কভিড-১৯ অতিমারীর দ্বিতীয় পর্যায়ের আগে। সে বলেছিল, ‘‘আমরা এমন একটি ভয়াবহ সময়ে বাস করছি, যেখানে লোকেরা বেশ আতঙ্কিত। আর যা কিছু তুমি দেখছ (ওটিটি-তে), সবই জটিল ও ভাবগম্ভীর। চলো মানুষকে একটু হাসাই। তাদের একটি ভালো সময় উপহার দেয়ার চেষ্টা করি।’’ তৎক্ষণাৎ তার এ ভাবনার সঙ্গে আমি একাত্ম হলাম।’
বলিউড বক্স অফিস প্রসঙ্গে ভিকি মনে করেন, দর্শক ভালো সিনেমা দেখতে চায়। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি ভালো সিনেমাগুলো সাফল্য পাচ্ছে। যদি আপনি গ্রাফ দেখেন বুঝতে পারবেন, তারা এটিকে খুব স্পষ্ট করে দিয়েছে। যদি একটি সিনেমা তাদের অনুরণিত করে, তাহলে ভাষা, ধারা অথবা মাত্রা যা হোক না কেন, তারা এটিকে সাদরে গ্রহণ করবে। তাদের বার্তা খুব পরিষ্কার ‘‘আমাদের সিনেমা ভালো লাগতে হবে।’’ আপনারা দেখবেন, আরআরআর, ভুলভুলাইয়া-টু, কেজিএফ-টু অথবা, দৃশ্যম টু কোনোটিই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েনি। তাদের ভাষা, ধারা, মাত্রা এক নয়। এমনকি তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও এক নয়। তিন বছর আগেও ব্যাপারটি ছিল সরাসরি আনুপাতিক। আপনি যত মার্কেটিং করবেন, তত বেশি আপনার সিনেমা চলবে। এখন বিষয়টি মোটেও তেমন নেই। এখন যদি মানুষ কোনো সিনেমা পছন্দ করে, তারা তা গ্রহণ করবে। কোনো নির্দিষ্ট ধারায় তারা আটকে থাকতে চায় না।’
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










