তারকারা নানা কারণে সিনেমার কাজ গ্রহণ করেন না। ক্যাটরিনা কাইফের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তিনি নানা কারণে অনেক সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। এমন কিছু সিনেমায় অভিনয় করে ব্লকবাস্টার হিট পেয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও প্রিয়াংকা চোপড়া।
প্রথমেই চেন্নাই এক্সপ্রেসের নাম নেয়া যায়। সিনেমাটিতে মিনা চরিত্রে রোহিত শেঠির প্রথম পছন্দ ছিলেন ক্যাটরিনা। কিন্তু দক্ষিণ ভারতীয় ভাষা, পোশাক কোনোটিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি তিনি। ফলে সিনেমাটি ফিরিয়ে দেন। সে সিনেমায়ই শাহরুখ খানের বিপরীতে দারুণ অভিনয় করেন দীপিকা। দক্ষিণ ভারতীয় বাচনভঙ্গিও তিনি ভালো ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ২০১৩ সালের অন্যতম ব্যবসাসফল সিনেমা ছিল চেন্নাই এক্সপ্রেস।
অনুরাগ বসু তার বারফির শ্রুতি চরিত্রের জন্য ক্যাটরিনাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু অজানা কোনো কারণে ক্যাটরিনা তা ফিরিয়ে দেন। সে জায়গায় আসেন ইলিয়েনা ডিক্রুজ। ক্যাটরিনার ছেড়ে দেয়া চরিত্রে না বসলেও সিনেমায় যুক্ত হয়েছিলেন প্রিয়াংকা চোপড়া। ঝিলমিল চরিত্রের জন্য তিনি অকুণ্ঠ প্রশংসা পান দর্শক ও সমালোচকদের। ২০১৪ সালে ক্যাটরিনার ফিরিয়ে দেয়া চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াংকা। গুন্ডে সিনেমার ইন্সপেক্টর নন্দিতা সেনগুপ্ত চরিত্রে আলী আব্বাস জাফরের পছন্দ ছিলেন ক্যাটরিনা। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে চরিত্রটি করেননি তিনি। প্রিয়াংকার চরিত্রটি প্রশংসিত হয় এবং সিনেমাটি মোটামুটি ভালো ব্যবসাই করেছিল।
তবে ঝুলিতে এমন সিনেমা দীপিকারই বেশি। অয়ন মুখার্জীর অভিষেক সিনেমা ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’র জন্যও প্রথমে ক্যাটরিনাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রেও তিনি পেশাদারি বাধ্যবাধকতার কারণে পরিচালককে না করে দেন। অয়ন মুখার্জী ন্যায়না চরিত্রটি দীপিকাকে দিলেন এবং আজ দীপিকার এ চরিত্র তরুণদের (সে সময়ে অনেকেই চরিত্রটির প্রেমে পড়েছিল) অন্যতম একটি প্রিয় চরিত্র। সিনেমাটি ২০১৩ সালে মুক্তি পায় এবং এটি ছিল বছরের অন্যতম ব্লকবাস্টার।
ক্যাটরিনাকে সিনেমায় নেয়ার চেষ্টা বারবার করেছেন সঞ্জয় লীলা বানসালি। গোলিও কি রাসলীলা: রামলীলায় লীলা চরিত্রে ক্যাটরিনাকে চেয়েছিলেন তিনি। এমনকি বাজিরাও মাস্তানিতে মাস্তানি চরিত্রেও সঞ্জয়ের প্রথম পছন্দ ছিলেন ক্যাটরিনা। কিন্তু সেটিও করেননি ক্যাট। মজার ব্যাপার, রামলীলায় একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেন প্রিয়াংকা এবং বাজিরাও মাস্তানিতে দীপিকার সহ-অভিনেত্রী ছিলেন তিনি।
সূত্র: জিকিউ ইন্ডিয়া










