সরকারি অনুদানে নির্মিত বিলডাকিনি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল কলকাতার অভিনেত্রী পার্নো মিত্রের। কোনো কারণে সে তারিখ পিছিয়ে যায়। ডিসেম্বরের পরিবর্তে জানুয়ারিতে পার্নো মিত্রের ঢাকা আসার খবর জানানো হয়। এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

গত রোববার এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে আইসোলেশনে আছেন, তার মৃদু উপসর্গ রয়েছে। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তিনদিনে যারা আমার সংস্পর্শে এসেছেন, তারা অনুগ্রহ করে আইসোলেশনে থাকুন ও করোনাভাইরাস পরীক্ষা করুন। নিরাপদে থাকুন, মাস্ক ব্যবহার করুন।’

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা বিলডাকিনি। শুরুতে বিলডাকিনি সিনেমার পরিচালক হিসেবে মনজুরুল ইসলামের নাম ছিল; পরে তার বদলে তুহিনকে পরিচালনার দায়িত্ব দেন প্রযোজক আবদুল মমিন। মোশাররফ করিম ও পার্নো মিত্র ছাড়াও এ সিনেমায় গাজী রাকায়েত, লুত্ফর রহমান জর্জ, সাবেরী আলম, মনোজ প্রামাণিক অভিনয় করছেন।

গত বছরের এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন পার্নো। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে বরাহনগর আসনে প্রার্থী হয়ে তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায়ের কাছে পরাজিত হন। গত সপ্তাহে টালিগঞ্জের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি, গায়ক জিৎ গাঙ্গুলিসহ বেশ কয়েকজন তারকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছে। কয়েক মাস বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন পার্নো মিত্র।

বিলডাকিনি নামে বাংলাদেশের এ সিনেমায় কাজ প্রসঙ্গে পার্নো তখন জানান, টালিগঞ্জের সিনেমার কাজ গুছিয়ে জানুয়ারিতে সিনেমার দৃশ্যধারণে যোগ দিতে ঢাকায় আসার পরিকল্পনা আছে তার। বিলডাকিনিতে পার্নো মিত্রের বিপরীতে অভিনয় করছেন মোশাররফ করিম; প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে জুটি বেঁধে আসছেন তারা। চার বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ডুব চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে পার্নোর।

২০১১ সালে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত রঞ্জনা আমি আর আসবো না সিনেমাটির মাধ্যমে আলোচনায় আসেন এ অভিনেত্রী। দত্ত ভার্সাস দত্ত, বেডরুম, কয়েকটি মেয়ের গল্প, আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড, মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর, শেষ অঙ্ক, গ্ল্যামার’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করেছেন।