বারবির মাধ্যমে মার্গো রবি আলোচনায় আসেন। সিনেমাটি এরই মধ্যে ভালো ব্যবসা করেছে। তবে সিনেমার আয়ের তুলনায় এর সামাজিক প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে দেশে দেশে পড়েছে বারবি সাজার ধুম। এমনকি গুগলে বারবি লিখে সার্চ করলেও দেখা যায় স্ক্রিন গোলাপি হয়ে যাচ্ছে। সবটাই বারবির প্রচারণা ও প্রভাব। গ্রেটা গেরউইগের এ সিনেমায় বারবি চরিত্রে আছেন মার্গো রবি। সিনেমাটির জন্য ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন রবি। ভ্যারাইটি এ তথ্য জানানোর পরই মার্গো রবির আয় ও খরচ নিয়ে মিডিয়ায় নানা রকম কথা চলছিল। কথা উঠেছিল তার বিলাসবহুল জীবন ও আয় নিয়ে। কিন্তু রবি কেবল বিলাসী জীবনযাপনই করেন না, নানা সময় তিনি পরিবারেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন।

মার্গো রবি অভিনয়ে আসেন ২০০০ সালের পর। অস্ট্রেলিয়ার একটি ডেইলি সোপের মাধ্যমে তার অভিনয়জীবন শুরু। ‘নেইবারারস’ নামের এ সোপ অপেরায় তার অভিনীত ডনা ফ্রিম্যান একটি অতিথি চরিত্র হওয়ার কথা থাকলেও জনপ্রিয়তার কারণে নিয়মিত চরিত্রে নিয়ে আসা হয়। তিন বছর তিনি এ সিরিজে অভিনয় করেছেন। ২০১১ সালে রবি এবিসির ‘‌প্যান অ্যাম’ সিরিজে কাস্ট হয়েছিলেন, কিন্তু তা বাতিল হয়ে যায়। এ সময় তার ক্যারিয়ারে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ২০১৪ সালে তিনি ভ্যানিটিফেরারকে জানিয়েছিলেন, তিন বছর বেকার থাকায় তাকে যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। কিন্তু রবির জীবন বদলে যায় ২০১৩ সালে। মার্টিন স্করসেসি তাকে ‘‌দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট’ সিনেমায় কাস্ট করেন।

একটি গুজব উঠেছিল, এ সিনেমায় রবি অনেক টাকা পেয়েছেন। তবে টাকার অংকটা খুব বেশি ছিল না। সিনেমায় অভিনয় করে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও পেয়েছিলেন আড়াই কোটি ডলার। সে সময় মার্গো রবি ১ কোটি ডলারেরও কম আয় করেছিলেন বলেই মনে হয়। তবে এ সিনেমার মধ্য দিয়েই তার আয়ের সম্ভাবনা বাড়ে।

২০১৯ সালে মার্গো রবি অভিনয় করেন ‘‌বার্ডস অব প্রে’-তে। এ সিনেমার মাধ্যমে তিনি নতুন করে আবার আলোচনায় আসেন। বার্ডস অব প্রে থেকে তিনি আয় করেছিলেন ২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। সে তুলনায় বারবি থেকে কমই পাচ্ছেন রবি। বারবির জন্য তার পারিশ্রমিক ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার।

মার্গো রবি তার পরিবারের পাশে থেকেছেন সবসময়। সিবিএস সানডে মর্নিংয়ের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেছিলেন, ‘‌আমার ক্যারিয়ারের শুরুতে সহযোগিতার জন্য মা আমাদের বাড়ি বন্ধক দিয়েছিলেন। আমরা আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলাম না। আমি ক্যারিয়ারের শুরুতেই সেটা ছাড়িয়ে এনেছি।’ অস্ট্রেলিয়ার সাউথপোর্টের বাড়িটি ছাড়াতে রবির খরচ পড়েছিল ৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

সূত্র: ইনসাইডার