দুই দশকেরও দীর্ঘ ক্যারিয়ার অ্যান হ্যাথাওয়ের। অভিনয় করেছেন বিচিত্র সব চরিত্রে। এর মধ্যে নোলানের ‘‌ব্যাটম্যান’ সিরিজে ক্যাটওম্যান চরিত্রটি অন্যতম। এছাড়া ‘‌লা মিজারেবল’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে ২০১৩ সালে পেয়েছেন একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। হ্যাথাওয়ের বয়স এখন ৪১ বছর। এখনো নতুন নতুন চরিত্রে নিজেকে নিরীক্ষা করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি থেকে তাকে সাবধান করে দেয়া হয়েছিল, ৩৫ বছর বয়সের পর অভিনয় ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে।

সম্প্রতি পোর্টার ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যান বলেন, ‘‌আমি যখন অল্প বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করি, আমাকে সাবধান করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল ৩৫ বছর বয়সের পর ক্যারিয়ার আর এগোবে না। আমি হয়তো অনেকটা উঁচুতে উঠতে পারব, কিন্তু এরপর থেমে যেতে হবে। হলিউডে অভিনেত্রীদের ক্যারিয়ার এ বয়সের পর পড়তি দশায় যায়।’ কথাটি অবশ্য ভুল নয়। কেননা তারুণ্য ও সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে বয়সের কারণে এবং এরপর ক্যারিয়ারে নারীরা খুব বেশি সুযোগ পান না। পাশাপাশি আরো একটি বিষয় উল্লেখ করেছেন অ্যান। তিনি বলেন, ‘‌ওই বয়সে নারীরা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে বেশি মনোযোগ দেয়। আমার মনে হয়, সেটা খুবই ভালো বিষয়। কিন্তু আমাকে আরেকজন বলেছিলেন যে অভিনয়ের পর আরো অনেক কিছু করতে হয়। জীবনে অনেক সমস্যার সমাধান করতে হয়।’

অ্যান হ্যাথাওয়ের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে। তিনি অভিনয় করেছিলেন ডিজনির ‘‌দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’ সিনেমায়। সেখানে টিনএজারের চরিত্র ছিল হ্যাথাওয়ের। এরপর একের পর এক অভিনয় করেন। অভিনয়কে তিনি ভালোবাসেন। অ্যান বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগে যখন জানতে পারি আমার অভিনয় মানুষকে আনন্দ দিচ্ছে। আমার অভিনয়যাত্রা যে মানুষের সঙ্গে যুক্ত, সেটা আমাকে প্রভাবিত করে।’ 

সর্বশেষ এ অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন ‘‌শি কেম টু মি’ সিনেমায়। আগামী মাসে মুক্তি পাচ্ছে অ্যান অভিনীত ইন্ডি ড্রামা ‘‌এইলিন’। সিনেমাটি এর আগে সানডান্স চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে। অ্যান প্রশংসিত হয়েছে সেখানে। উৎসবে‌ তিনি জানান, সিনেমায় ক্যারিয়ার শুরুর সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। এর পর থেকে সিনেমার সঙ্গেই আছেন এবং থাকবেন।

সূত্র: ভ্যারাইটি