বলিউডের সিনেমা নিয়ে এখন ভরসা করা যায় না। যে সিনেমা মুক্তির আগে ব্লকবাস্টারের আশা করা হয়, তা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। আবার কোনো সিনেমা আশা তৈরি না করলেও ব্যবসা দেয় আশাতীত। এর মধ্যে কবির খানের ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ প্রথম ধারার। সিনেমাটি মুক্তির আগে ধারণা করা হয়েছিল দারুণ ব্যবসা দেবে। কিন্তু মুক্তির পর পুরোপুরিই ব্যর্থ হয়েছে। ৭০ কোটি রুপিতে নির্মিত সিনেমাটি আয় করেছে ৮৮ কোটি রুপির কিছু বেশি। বর্তমানে সিনেমার সাফল্য ধরা হয় বক্স অফিসের আয়কে। কিন্তু কবির খান মনে করেন, কেবল বক্স অফিসের আয়ই সিনেমার সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড নয়।

মিড-ডের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কবির খান বলেন, ‘কোনো নির্মাতা যদি বলেন, বক্স অফিসের সাফল্য কোনো ব্যাপার নয়, তাহলে তিনি ভুল বলছেন। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে বক্স অফিসই সিনেমার সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড নয়। আমার কাছে সিনেমার সাফল্যের বিষয়টি অন্য রকম। একটা সিনেমা মুক্তির বহুদিন পর সেটি নিয়ে কথা হচ্ছে কিনা, দর্শক তা দেখছে কিনা, আমার কাছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন এখন ‘‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’’ ও এর আগে ‘‘এইটি থ্রি’’র ক্ষেত্রে একটা ঘটনা ঘটেছে। ওটিটিতে আসার পর বারবার দেখেছেন দর্শক।’

এখন সিনেমার প্রথম সপ্তাহের আয় দিয়ে ব্লকবাস্টার নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বাস্তবে অনেক সিনেমার ক্ষেত্রে দেখা যায়, মুক্তির দুই-চার মাস পর ওটিটিতে দেখছেন দর্শক। এ নিয়ে কবির খান বলেন, ‘মানুষ সিনেমাটি খুঁজছে এবং বারবার দেখছে। এর মানে সিনেমার প্রাসঙ্গিকতা আছে এবং মানুষ তা মনে রাখছে। বক্স অফিসের হিসাবে কাবুল এক্সপ্রেস আমার সবচেয়ে কম আয় করা সিনেমা। কিন্তু ১৮ বছর পর অনেকে আমাকে বলে তারা সিনেমাটি পছন্দ করেছে। তাই আমি বলতে পারি একটা সিনেমা ভালো না মন্দ, সফল না ব্যর্থ তা নির্ণয় করার বেশকিছু মানদণ্ড আছে।’

‘ভুল ভুলাইয়া টু’র পর কার্তিক আরিয়ানকে নিয়ে অনেকেরই আশাবাদ ছিল। কিন্তু চান্দু চ্যাম্পিয়নে তার প্রতিফলন ছিল না। তবে কবির খান মনে করেন সিনেমাটি টিকে থাকবে।

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা