জেমস বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য নতুন একটি ট্রিলজি লিখবেন ব্রিটিশ লেখিকা কিম শেরউড। ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্টি এ গুপ্তচর সিরিজের জন্য প্রথম লেখিকা হবেন কিম। বন্ড উপন্যাস এবার লিখিত হবে ‘নারীবাদী দৃষ্টিকোণ’ থেকে।

আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাবে শেরউডের লেখা জেমস বন্ড সিরিজের নতুন ট্রিলজির প্রথম কিস্তি। পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে এমন এক জগতের, যেখানে বন্ড নেই তবে নতুন প্রজন্মের জিরো জিরো এজেন্টরা আছেন। বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে শেরউড জানান, বন্ড সিরিজকে তিনি আধুনিক করবেন। 

২০১৮ সালের উপন্যাস টেস্টামেন্টের জন্য পুরস্কার জেতা শেরউড বিবিসি রেডিও ফোর-এস উইমেন আওয়ারকে বলেন, বন্ড ব্রিটিশদের কাছে এক চিরসবুজ প্রতীক। কারণ তিনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে পরিবর্তিত হন। লন্ডনে জন্মগ্রহণকারী ৩২ বছর বয়সী এ লেখক আরো বলেন, তার নিজের ট্রিলজি চরিত্রের অনুপ্রেরণার জন্য তিনি ফ্লেমিংয়ের মূল বইগুলোকেই গভীর মনোযোগে অনুসরণ করবেন।

শেরউড মনে করেন, বন্ড সিরিজ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়লে তাতে জেমস বন্ড ছাড়াও আরো কয়েকজন গুপ্তচরের হদিস পাওয়া যায়। তিনি চাইছেন এ চরিত্রগুলোকে সক্রিয় করে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে অভিযানে পাঠাতে। কিম নিশ্চিত করেছেন তার ট্রিলজিতে ফিরবেন বন্ডের মিসেস মানিপেনি ও বন্ডের বস ‘এম’।

১৯৫০-এর দশকে ব্রিটিশ লেখক ইয়ান ফ্লেমিং তার বিশ্ববিখ্যাত গোয়েন্দা থ্রিলার সিরিজের নায়ক ‘জেমস বন্ড’কে সৃষ্টি করেছিলেন। জেমস বন্ড শুধু থ্রিলার সিরিজ হিসেবেই সফল নয়। তাকে নিয়ে পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া সিনেমাগুলো শত শত কোটি টাকার ব্যবসা করেছে।

বন্ড সিরিজের সবচেয়ে লম্বা সিনেমা নো টাইম টু ডাই। চলতি বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমার শুরুতেই রয়েছে চমক। মৃত বান্ধবীর সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে প্রথম আক্রমণের শিকার বন্ড। আক্রমণের পেছনে স্পেকটর।

২০০৬ সালে প্রথম বন্ড হয়ে পর্দায় আসেন ড্যানিয়েল ক্রেগ। ক্যাসিনো রয়্যালেই ক্রেগ তার খেল দেখিয়েছেন। পরিপূর্ণ বন্ড হয়ে উঠতে একটুও সময় নেননি। এরপর কোয়ান্টাম অব সোলাস, স্কাইফল, স্পেকটর। বন্ড নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন প্রতি পদে। সেই সঙ্গে নিয়মিত সহশিল্পীদের সঙ্গেও হয়ে উঠেছেন একাত্ম।

 

সূত্র: বিবিসি