বলিউডে বিদ্যা বালানের জায়গাটা অন্য রকম। তুলনামূলক বেশি বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের অভিনয় প্রতিভা দিয়ে দর্শকের মন জয় করতে সময় লাগেনি তার। গ্ল্যামারের পাশাপাশি অভিনয় দিয়ে নায়িকার তুলনায় অভিনেত্রী হিসেবেই স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে অনেক দিন ধরে বক্স অফিস সাফল্য অধরা ছিল বিদ্যার জন্য। এমনিতে বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয় ছেড়েও দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি জানালেন, তিনি তিন বছর অপেক্ষা করেছেন একটা সফল সিনেমার জন্য।

১ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে ‘ভুল ভুলাইয়া থ্রি’। ১৭ বছর পর তিনি ফিরেছেন মঞ্জুলিকা চরিত্রে। সিনেমাটি বক্স অফিসে পেয়েছে সাফল্য। এ নিয়ে বিদ্যা বলেন, ‘আশার চেয়েও বেশি সাড়া পেলাম এ সিনেমায়। আমার কখনো মনে হয়নি, ১৭ বছর পর এ চরিত্রে ফিরলেও দর্শক আমাকে গ্রহণ করবে। আমি দারুণ খুশি যে সিনেমাটা বাণিজ্যিকভাবেও সফল হলো।’

এ সিনেমায় মঞ্জুলিকা চরিত্রে ফেরার পাশাপাশি একটা নাচের দৃশ্যও বিদ্যার জন্য বিশেষ হয়ে উঠেছে। মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে তিনি দ্বৈত নাচে পারফর্ম করেছেন। নাচটি দর্শককে মনে করিয়ে দিয়েছে আইকনিক ‘ডোলা রে ডোলা’কে। এ নিয়ে বিদ্যা বলেন, ‘আমি আসলে নিজেকে একজন নৃত্যশিল্পী মনে করি না। তবে অভিনয়ের জন্য যদি ডান্স নাম্বার প্রয়োজন হয়, আমি সেটার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। আর হ্যাঁ, মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে পারফর্ম করতে হলে তো নিজেকে আরো প্রস্তুত করে নিতে হয়। এ সুযোগ জীবনে একবারই আসে।’

বিদ্যার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে একতা কাপুরের টিভি শো ‘হাম পাঁচ’ থেকে। সেখানে রাধিকা মাথুর চরিত্রটি দর্শকের মনে ছাপ রেখেছিল। এরপর তিনি নজর কাড়েন প্রদীপ মুখার্জির ‘পরিণীতা’য়। ২০০৫ সালের এ সিনেমার পর ২০০৭ সালে ভুল ভুলাইয়া মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তবে ২০১১ সালের ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ও ২০১২ সালের ‘কাহানি’ বিদ্যার ক্যারিয়ারের ল্যান্ডমার্ক।

এরপর বেছে বেছে সিনেমা করেছেন তিনি। কিন্তু বক্স অফিস মাতানো সিনেমা ছিল না। বিদ্যা বলেন, ‘অভিনেত্রী হিসেবেই কাজ করেছি। তবে মনে হতো, বাণিজ্যিক সাফল্যও দরকার। প্রায় তিন বছর অপেক্ষা করতে হলো তা পাওয়ার জন্য।’

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস