হলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যান। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন গোল্ডেন গ্লোব ও একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। ১৯৯৪ সালে তার অভিষেক হয়েছিল লিওন: দ্য প্রফেশনালের মাধ্যমে। নাটালির বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। এরপর স্টার ওয়ারস, ভি ফর ভেনডেটা, ব্ল্যাক সোয়ানের মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। অন্যতম সফল অভিনেত্রী তিনি। কিন্তু সম্প্রতি নাটালি জানালেন অল্প বয়সে অভিনয়ে আসার বিষয়টিতে সমর্থন নেই তার।

নানা কারণেই টিনএজে অভিনয়ে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে মত নেই নাটালির। তিনি বলেন, ‘‌তরুণদের অভিনয়ে আসার বিষয়ে আমি উৎসাহ দিই না। এমন না যে কখনো দিই না। তবে প্রথম তারুণ্য বা কৈশোরে যারা আছে তাদের অভিনয়ে আসার পরামর্শ দেব না। আমি এসেছিলাম কিন্তু আমার বিশ্বাস আমি খুবই ভাগ্যবান এক্ষেত্রে। ইন্ডাস্ট্রি খুব জটিল জায়গা। আমার সৌভাগ্য যে নেতিবাচক কোনো অবস্থায় পড়িনি।’ হলিউডে নারীদের নানাভাবেই বঞ্চিত করা হয়। তারা যৌন হয়রানিরও শিকার হন। নাটালি মূলত এসব বিষয়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। নিজের ক্ষেত্রে এসব থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন, ‘‌আমার বিশ্বাস বাবা-মা অনেক সচেতন হওয়ায় আমি বেঁচে গেছি। সবার ক্ষেত্রে তো সেটা হবে না। তারা ভুল পথে চলে যেতে পারে। সবসময় বাবা-মায়ের পরামর্শ মানা উচিত। ছোটবেলায় হয়তো আমরা তা বুঝি না কিন্তু বড় হয়ে বুঝতে পারি তারা ঠিকই করতেন।’

এ বিষয়ে কথা থেকেই প্রসঙ্গ ওঠে নাটালির সন্তানাদি সম্পর্কে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, তার সন্তানরা অভিনয়ে আসতে চাইলে তিনি কী করবেন। উত্তরে নাটালি বলেন, ‘‌আমি এত পরিমাণে খারাপ সব অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি যে আমার মনে হয় কারোই খুব কম বয়সে অভিনয়ে আসা উচিত না। কয়েক বছরে আমরা এমন অনেক ঘটনাই জেনেছি। তবে এতে একটা বিষয় ভালো হয়েছে। সবার মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। এখন স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাচ্চাদের আসলে ওটা কাজে যাওয়ার বয়স না। তাদের উচিত পড়াশোনা ও খেলাধুলা করা।’

নাটালি এ সময় ব্যস্ত তার নতুন সিনেমা ‘মে ডিসেম্বর’ নিয়ে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন টড হেইনেস। 

সূত্র: ইয়ন