জিমি কিমেলের শো বন্ধ হয়ে গেছে এ কথা সবারই জানা। তবে শোটি এভাবে বন্ধ করায় দর্শক দুঃখ পেয়েছে। এটি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। জিমি কিমেলের সঙ্গে এ কাজে আছে ডিজনি। ডিজনি ও জিমি কিমেল একটা সমঝোতায় এসে এবিসিতে ‘জিমি কিমেল লাইভ’ ফিরিয়ে আনতে চাইছে। উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর কিমেলের বিতর্কিত মন্তব্যের পর নেক্সস্টার ও সিনক্লেয়ার ঘোষণা দেয় যে তারা অনুষ্ঠানটি প্রচার করবে না, ও এর পরই এবিসি অনুষ্ঠানটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়।
কিমেল প্রকাশ্যে কিছু না বললেও কয়েকটি সূত্র জানায়, তিনি শোর স্টাফ ও সরবরাহকারীদের ব্যাপারে সচেতন। কেননা তারা এখনো ২০২৩ সালের লেখক ও অভিনেতাদের ধর্মঘটের আর্থিক ধাক্কা সামলাচ্ছেন। তবে এখনো নিশ্চিত নয় যে সমঝোতা হবে কিনা, কারণ কিমেলের ফেরার শর্তাবলি গুরুত্বপূর্ণ।
ডিজনি বাম সব দিক থেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষাকারীরা কিমেলকে সরানোর সমালোচনা করেছে, আবার ট্রাম্পপন্থী ও রক্ষণশীলরা সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়েছে। এফসিসি চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কার নেক্সস্টারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সম্প্রচারকারীদের জনস্বার্থ রক্ষা করতে হবে এবং দ্য ভিউসহ অন্যান্য ডিজনি প্রোগ্রামের দিকেও নজর দেয়া হতে পারে।’
জিমি কিমেল লাইভ ২০২৪ সালে ৫১ মিলিয়ন ডলারের বিজ্ঞাপন রাজস্ব এনেছে, যা লেট নাইট শোগুলোর বিজ্ঞাপনের ২১ শতাংশ। এবিসি ও ডিজনি কিমেলের ট্রাম্পবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আগেই উদ্বেগ জানিয়েছিল।
এ বিতর্ক এমন সময় ঘটছে, যখন নেক্সস্টার ও ডিজনি উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক চুক্তির জন্য সরকারি অনুমোদন চাইছে। নিউইয়র্ক, বারব্যাংক ও হলিউডে প্রতিবাদ হয়েছে, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে আওয়াজ তুলেছে সেনেটর টেড ক্রুজ ও এসিএলইউ।
কিমেল তার লেট নাইট ক্যারিয়ার ছাড়ার কথা চিন্তা করছেন, কিন্তু জানেন এ শো তাকে ডিজনির অন্যান্য প্রজেক্টে সহায়তা করে। উভয় পক্ষই হয়তো এমন একটি পথ খুঁজছে, যাতে কিমেল হয় ফিরে আসতে পারেন অথবা সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে পারেন।
সূত্র: ভ্যারাইটি










