ধুম সিনেমায় বাইক রাইডের সঙ্গে দুর্দান্ত সব অ্যাকশনের দৃশ্য এখনো দর্শকদের চোখে লেগে আছে। সিনেমায় জন আব্রাহামকে সুজুকি হায়াবুসা ব্র্যান্ডের একটি বাইক চালাতে দেখা যায়। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ১ হাজার ৩০০ সিসির এ বাইক ভারতীয় রাইডারদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে চলে আসে। এর নামই হয়ে যায় ‘ধুম বাইক’। লাল রঙের হায়াবুসার পিঠে জন আব্রাহাম বাইকারদের আইকনে পরিণত হন। তার গ্যারেজেও স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয় সুজুকি হায়াবুসা। তিনি বাইক চালাতে ভালোবাসেন। এটি তার প্যাশন। পর্দা ও বাস্তব জীবনে তা স্পষ্ট। ওয়াইল্ড সুপারবাইক ও ক্রুজার সংগ্রহের নেশা আছে তার। সম্প্রতি তার গ্যারেজে যুক্ত হলো একটি ব্র্যান্ড নিউ সুজুকি হায়াবুসা।

 জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়া পাঠান সিনেমায় জন আব্রাহামের অভিনয় সবার নজর কেড়েছে। প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। অন্যদিকে বলিউডের অন্যতম ব্যবসাসফল সিনেমা পাঠানের মাধ্যমে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির পুনরুজ্জীবন ঘটেছে। ব্যক্তিগত এবং সামষ্টিক দিক থেকে পাঠানের ব্যাপক সাফল্য উদযাপন করছেন জন। এরই অংশ হিসেবে নিজেকে সর্বাধুনিক সুজুকি হায়াবুসা উপহার দিয়েছেন তিনি। এর মডেল এমওয়াই ২০২৩। এর মাধ্যমে ভারতে সুজুকি হায়াবুসার এ মডেলের প্রথম মালিক যারা হয়েছেন, তাদের একজন আব্রাহাম। 

১ হাজার ৩৪০ সিসি, ইনলাইন-ফোর-সিলিন্ডার, ১৮৭ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন এবং ১৫০ নটিক্যাল মাইল টর্ক পাওয়ার সমৃদ্ধ এ বাইক। এর ইঞ্জিনে সিক্স-অ্যাক্সিস আইএমইউ, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল, করনারিং অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম, থ্রি পাওয়ার মোডস, ক্রুইজ কন্ট্রোল ইত্যাদি সুবিধা আছে। ইঞ্জিনটি একটি সিক্স-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্সের সঙ্গে সংযুক্ত। ভারতের বাজারে এর বর্তমান দাম ধরা হয়েছে ১৭ লাখ রুপি, বাংলাদেশী টাকায় যা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

সুজুকি হায়াবুসা ছাড়াও জন আব্রাহামের সংগ্রহে ডজন খানেকেরও বেশি মোটরবাইক আছে। এর মধ্যে ইয়ামাহা আরওয়ান, কাওয়াসাকি জেডএক্স, হোন্ডা সিবিআর, ডুকাতি ডিয়াভেল, সুজুকি জিএসএক্স, বিএমডব্লিউ ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য। 

অভিনয়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন জন আব্রাহাম। বর্তমানে তিনি নতুন সিনেমা ‘তারিক’-এর কাজ করছেন। সিনেমাটি এ বছর ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাবে। 

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা