নগরের ইটপাথরে মিশে আছে কত বেদনা আর ভালোবাসার উষ্ণ গল্প। তেমনই কিছু মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করেছেন গৌতম কৈরি। ওয়েব ফিল্মের নাম আন্তঃনগর। মঙ্গলবার ওটিটি প্লাটফর্ম চরকির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে একটি পোস্ট করা হয়। সে পোস্টের মাধ্যমেই ঘোষণা দেয়া হয়েছে আসন্ন ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে। এতে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, রুনা খান, সোহেল মণ্ডল, শবনম ফারিয়া, আশীষ খন্দকার, প্রান্তর দস্তিদার, নিদ্রা নেহাসহ আরো অনেকেই।
পরিচালক গৌতম কৈরি বলেন, ‘আমার প্রথম ওয়েব ফিল্ম আন্তঃনগর। মিশ্র এক অনুভূতির মধ্য দিয়েই যেতে হয়েছে আমাদের। আন্তঃনগর-এ সব অভিনয়শিল্পী নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়েই কাজটি করেছেন। এখানে দুজন নতুন অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে দর্শক পরিচিত হবে। তাদের ডেডিকেশন লেভেলের প্রশংসা করতেই হবে।’
সিনেমার গল্প নিয়ে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘এক শহর থেকে অন্য শহরে ভ্রমণ করাই তো আন্তঃনগর। আমরা প্রবেশ করেছি এক শহর থেকে অন্য শহরে, এক জীবন থেকে অন্য জীবনে।’
সিএনজিচালকের চরিত্রে দেখা যাবে শ্যামল মাওলাকে। তিনি বলেন, ‘আন্তঃনগরে অভিনয় করাটা একটু কঠিন ছিল আমার জন্য। কেননা প্রতিদিন সিএনজি চালাতে হয়েছে। এমনও হয়েছে সিএনজি লম্বা সময় চালাতে গিয়ে হাতে ফোসকা পরে গেছে। সহশিল্পী হিসেবে রুনা আপুর সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগে। এ সিনেমার গল্প বলার থেকে দেখতে বেশি ভালো লাগবে। কারণ কাজটা বেশ মৌলিক।’
আন্তঃনগর প্রসঙ্গে রুনা খান বলেন, ‘এতে আমার সহশিল্পী ছিলেন শ্যামল ও জয় রাজদা। তারা দুজনেই গুণী অভিনেতা। প্রতিটি সিনেমার পরিচালক নিজের মতো করে তাদের গল্প দেখানোর চেষ্টা করেন। সেদিক থেকে আন্তঃনগরের বলার ধরনে এক ভিন্নতা ছিল। আশা করছি দর্শকরা এটা দারুণভাবে উপভোগ করবে।’
আন্তঃনগরে আছেন সোহেল মণ্ডলও। তার কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ‘গৌতম কৈরির সঙ্গে অনেক আগে থেকেই পরিচয় ছিল। পরিচালক হিসেবে তিনি বেশ বন্ধুসুলভ। পুরো টিম ছিল ক্রিয়েটিভ, তাই কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ। এটা আমাদের চারপাশের মানুষের গল্প। প্রেম, দ্রোহ, থ্রিল সব বিষয় আছে এখানে। দারুণ একটি গল্প এটি, তবে দর্শকরা কীভাবে নেয়, সেটা হলো বিষয়।’
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বলেন, ‘এ ওয়েব ফিল্মের গল্প নারীদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে। এটা আমাদের খুব কাছের গল্প। কাজটা নিয়ে আমার অনেক প্রত্যাশা। চরকি ভিন্ন ধরনের ভালো গল্প বলে। সেদিক থেকে এ গল্প নিয়ে প্রত্যাশা অনেক বেশি।’
এরই মধ্যে শুটিং শেষ হয়েছে ওয়েব ফিল্মটির। গৌরিপুর, মোহাম্মদপুর, পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে হয়েছে শুটিং। সিনেমাটি খুব তাড়াতাড়ি চরকিতে দেখতে পাবে দর্শক।









