তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হচ্ছে জাহ্নবী কাপুরের। তিনি যুক্ত হয়েছেন ‘দেবারা: পার্ট ওয়ান’ সিনেমায়। অভিনয় করছেন জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে। তার কাছে এ সিনেমায় অভিনয় করা অনেকটা বাড়ি ফেরার মতো। সম্প্রতি ফিল্ম করপোরেশনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথাই বলেছেন। এ কথা বলার কারণ হলো তার মা শ্রীদেবী নিজেও ছিলেন তামিল ও তেলেগু সিনেমার অন্যতম সুপারস্টার। এর পরই তিনি বলিউডে আসেন। কিন্তু দক্ষিণের প্রতি শ্রীদেবীর আলাদা ভালো লাগা ছিল। তবে মজার ব্যাপার দক্ষিণে গিয়ে টেপ রেকর্ডার খেতাব জুটেছে জাহ্নবী কাপুরের।

দেবারা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জাহ্নবী বলেন, ‘আমার খুব ভালো লেগেছে। বেশ মজা করে কাজ করেছি। এখানে কখনো আমি শীতে জমে যাচ্ছিলাম, কাঁধ ভেঙে আসছিল কিংবা আমার পাশে ছিল একটা ইঁদুর। নাচ, গান, ডায়ালগবাজি সবই আমার কাছে আসছিল একদম স্বাভাবিক নিয়মে। কোনোকিছুতেই জোর করতে হয়নি।’ জাহ্নবীর মতে সেখানকার আবহাওয়ায়ই বিষয়টা আছে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হলো, আমি যে কাজ পছন্দ করি, সেটাই এখানে করতে পারছি। আমি নিজের ওপর কোনো জোর করিনি। সহজেই সব করতে পারছিলাম। মনে হলো, নিজের বাড়ি ফিরেছি।’

এ সাক্ষাৎকারে শ্রীদেবীর প্রসঙ্গও এসেছে। তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যজনক আসলে। মা যখন হিন্দি সিনেমা করতে শুরু করলেন, তিনি এ ভাষা জানতেন না। তিনি মুখস্থ করতেন সংলাপ। ফলে সেখানে তার নাম হয়েছিল তোতা। সংলাপ শুনে শুনে মনে রাখতেন আর বলতেন।’ এমন পরিস্থিতি কোনো অভিনেত্রীর জন্যই সহজ নয়। শ্রীদেবীর জন্যও ছিল না। জাহ্নবী বলেন, ‘সে অবস্থায় মায়ের নিজেকে মনে হতো ভিনগ্রহ থেকে আসা কোনো প্রাণী। এখন তেলেগু সিনেমায় এসে অবস্থাটা আমি বুঝতে পারছি। আমিও ভাষাটা জানি না। তামিলের সঙ্গে কিছুটা পরিচয় আছে। শুনে শিখেছি। এখন সিনেমার ফটোগ্রাফির ডিরেক্টর আমাকে টেপ রেকর্ডার বলে ডাকে।’

জাহ্নবী আরো বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, তারা আমাকে গ্রহণ করেছেন ভালোবাসার সঙ্গেই। কারণ ভালোবাসার উষ্ণতা আমি অনুভব করছি।’

কোরাতলা শিবা পরিচালিত ‘দেবারা: পার্ট ওয়ান’ এ বছরই মুক্তি পাচ্ছে। 

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস