ভিন্ন ধারার ছবি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা
দেব একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে চলেছেন। অন্যদিকে মাসালা আইটেম এনেও পরপর ফ্লপের ধাক্কা
সামলাত হচ্ছে জিৎকে। নতুন রিলিজ ‘চেঙ্গিজ’ নিয়েও একই কথা
বলছে বক্স অফিস। কিন্তু জিৎ বলছেন ‘সুপারহিট’।
হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ভারতীয় বাংলা
সিনেমার বাজার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাল্টিপ্লেক্স। সেখানে দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয়
স্তরের মাল্টিপ্লেক্সে মাত্র ১৮ লাখ রুপি আয় করেছে ‘চেঙ্গিজ’। ফলে সুপারহিট
বললেও আয় নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না।
গত ২ মে সোশ্যাল মিডিয়ায় জিৎ লেখেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের
সঙ্গে জানাচ্ছি, চেঙ্গিজ সুপারহিট, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ‘চেঙ্গিজ’ হিন্দি ভাষায়ও
মুক্তি পায়। সেখানেও প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
সংবাদমাধ্যম জানায়, আইনক্স, পিভিআর ও সিনেপলিসের
মতো জাতীয় স্তরের মাল্টিপ্লেক্স চেইন থেকে পশ্চিমবঙ্গে এই ছবির ব্যবসা দ্বিতীয় সপ্তাহে
মাত্র ১৬ লাখ রুপি, বাংলার বাইরে থেকে ২ লাখ রুপিসহ সব মিলিয়ে আয় মাত্র ১৮ লাখ রুপি।
টলিবাংলা বক্স অফিস টুইট বার্তায় জানায়,
প্রথম সপ্তাহে এই অঙ্ক ছিল ৭৪ লাখ রুপি। দুই সপ্তাহ মিলিয়ে ন্যাশন্যাল-মাল্টিপ্লেক্সে
‘চেঙ্গিজ’-এর কালেকশন এক
কোটিও (৯২ লাখ) পার করেনি। বোঝাই যাচ্ছে প্রযোজকের দাবি অনুসারে, সিঙ্গল স্ক্রিনে রমরমা
থাকলেও মাল্টিপ্লেক্সের হিসাব-নিকাশে দেবের ‘প্রজাপতি’ তো দূরের কথা
‘একেন বাবু’র কাছেও পরাজিত
জিৎ। দুই সপ্তাহে ‘একেন বাবু: রুদ্ধশ্বাস রাজস্থান’-এর মাল্টিপ্লেক্স
থেকে আয় ছিল এক ১৩ লাখ রুপি। তিন নম্বর সপ্তাহ মিলিয়ে তা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখ
রুপি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কলকাতার সবচেয়ে হিট
ছবি ‘প্রজাপতি’। দেব অভিনীত
ও প্রযোজিত সিনেমাটির আয় ১০ কোটি রুপির বেশি। আর জাতীয় স্তরের মাল্টিপ্লেক্স থেকে এসেছে
এই আয়ের ৪০ শতাংশ অর্থাৎ চার কোটি ২৫ লাখ রুপি।
অবশ্য স্যাকনিক ডটকম সাইটে দাবি করা হচ্ছে,
‘চেঙ্গিজ’-এর বাংলা ভার্সনের
দুই সপ্তাহের কালেকশন তিন কোটি ৩১ লাখ রুপি। হিন্দি সংস্করণের আয় এক কোটি ৩৪ লাখ। সব
মিলিয়ে চার কোটি ৬৫ লাখ রুপি।
এদিকে জিতের পরের ছবি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশী
নির্মাতা সঞ্জয় সমাদ্দারের ‘মানুষ’। বিপরীতে আছেন
বিদ্যা সিনহা মিম।










