থর নিয়ে মার্ভেলভক্তদের মধ্যে ক্ষোভ আছে। কেনেথ ব্রানা (থর, ২০১১) ও অ্যালান টেইলর (থর: দ্য ডার্ক ওয়ার্ল্ড, ২০১৩) যে ধারার সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন, টাইকা ওয়াইটিটির নির্মাণ ছিল তার তুলনায় একেবারেই ভিন্ন। রঙচঙে বারবি ধারার এ সিনেমা পছন্দ করেনি দর্শক। বিশেষত লাভ অ্যান্ড থান্ডার তো একেবারেই পছন্দ হয়নি কারো। এ নিয়ে ওয়াইটিটি নানা সময়ে বিরূপ মন্তব্য শুনেছেন। সম্প্রতি তিনি জানালেন, কেবল টাকার জন্যই নির্মাণ করেছিলেন সিনেমাটি। সম্প্রতি স্মার্টলেস পডকাস্টের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেছেন।
টাইকা তার নিজস্ব ভঙ্গিতে বলেন, ‘সত্যি বলতে এ সিনেমা দুটো নির্মাণের কোনো ইচ্ছা আমার ছিল না। আসলে আমার ক্যারিয়ার প্ল্যানেই ছিল না। আমি তখন অর্থাভাবে ছিলাম বলে সিনেমা দুটি পরিচালনা করি। সোজা কথা আমার টাকার দরকার ছিল। পরিবারকে সাহায্য করতে হয়েছে।’
থর বা ওয়াইটিটির থর নিয়ে নানা সমালোচনার কারণে সম্ভবত একটু রেগেই ছিলেন তিনি। সিনেমারও সমালোচনা করেছেন এ কারণে। তিনি বলেন, ‘আর থর নিয়ে যদি কথা বলতেই হয়, এটা ছিল মার্ভেলের সবচেয়ে দুর্বল ফ্র্যাঞ্চাইজি। আমি ছোটবেলায় থরের কোনো গল্প পড়িনি। এরপর আমি একটু রিসার্চ করেছিলাম তার চরিত্রটা নিয়ে। আমি তখন আরো সমস্যায় পড়ে যাই থর চরিত্রের অস্পষ্টতা নিয়ে।’
টাইকা একেবারে মিথ্যাও বলেননি। চরিত্রটি নিয়ে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সেও তেমন একটা চর্চা ছিল না। ‘রÅvগনারক’-এ থরের নতুন অবতার কিছুটা মজা দিয়েছিল দর্শককে। তবে টাইকা হয়তো মনে রাখতে চান না যে এন্ডগেম বা এই সময়ে থরকে যে ধারার চরিত্র দেয়া হয়েছে দর্শকের অনেকেই তা পছন্দ করেছিল।
এর আগে টাইকা বলেছিলেন, তিনি থর নিয়ে আরো কাজ করতে চান। কিন্তু এখন মার্ভেলের যা অবস্থা, থর নিয়ে এগোনোর ঝুঁকি হয়তো মার্ভেল নেবে না। এ নিয়ে টাইকাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সে রকম কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। সব রাস্তা এখন বন্ধ। তবে মার্ভেলের কাছ থেকে যদি ডাক পাই, আমি বুঝব তারা তলানির দিকে পৌঁছে গেছে।’
টাইকা এমন কথা বলতেই পারেন। কেননা মার্ভেলের অবস্থা সত্যিই খারাপ। অন্যদিকে তিনি নিজে এখন আর মার্ভেলের মুখাপেক্ষী নন। সিনেমা ও টিভি সিরিজসহ তার হাতে আছে আধা ডজনের মতো প্রজেক্ট।
সূত্র: ভ্যারাইটি










