যশোর মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের দুই হাত-পা ভেঙে দেয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্যদিবস অর্থাৎ গতকালের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও আরো দুদিন সময় চেয়েছে কমিটি। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদেরই সদস্য করায় ওই তদন্ত কমিটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পাঁচদিন পার হলেও মামলা গ্রহণ কিংবা কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
ভুক্তভোগীর স্বজনের অভিযোগ, অভিযুক্তরা ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থাকায় আহত ইন্টার্ন চিকিৎসক জাকির হোসেনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। জাকিরের ভাই জাহাঙ্গীর আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত ৩১ জানুয়ারি আমার ভাইকে বেধড়ক মারধর করলেও এখনো কোনো বিচার পেলাম না। এমনকি থানায় অভিযোগ দিলেও সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি পুলিশ। ফলে অভিযুক্তরা আমার ভাইয়ের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া মোটরসাইকেলে এসেই হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে মারামারিতে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িত সহকারী হোস্টেল সুপার ডা. ফয়সাল কাদির শাওনকেই করা হয়েছে তদন্ত কমিটির সদস্য।’










