সবার জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছার কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, নারী, পুরুষ, শিশু এবং সব ধর্মের মানুষ যাতে নিরাপদে থাকেন সেই চেষ্টা করবেন তারা। ১৭ বছর পর গতকাল দেশে ফিরে ঢাকার ৩০০ ফিটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে তারেক রহমান নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার ইচ্ছার পাশাপাশি দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্যও তার পরিকল্পনা থাকার কথা তুলে ধরেছেন। ২০০৮ সালে দেশ ছাড়ার পর গতকাল প্রথম তিনি দেশের মাটিতে ফিরেছেন।

তারেক রহমান ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। রাষ্ট্রনায়কোচিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে সংবর্ধনা মঞ্চে অগণিত মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ (আমার একটি পরিকল্পনা আছে)। দেশে সবার জন্য শান্তি নিশ্চিত করার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশে শান্তি চাই।’ এরপর তিনি সবার উদ্দেশে বলেন, ‘মার্টিন লুথার কিং—তার একটি বিখ্যাত ডায়ালগ আছে, ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’। আজ এ বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে সবার সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’ এরপর দেশের মানুষের জন্য তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

পরে যখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী অনুষ্ঠান শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন আবারো মাইকের সামনে এসে জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘মনে রাখবেন, উই হ্যাভ আ প্ল্যান। উই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল, ফর দ্য কান্ট্রি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর গুরুত্ব পেয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। রয়টার্স, এএফপি, নিউইয়র্ক টাইমস, আল জাজিরা, ডন, দ্য হিন্দুসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। অনেকগুলো গণমাধ্যমে তাকে বাংলাদেশের ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

055

জুলাই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা ছিল গণতন্ত্রে ফেরা। ভাষণে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়।’

সংগঠিত সন্ত্রাস বা মব ভায়োলেন্সে দেশে জননিরাপত্তা ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে। তারেক রহমান বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়, মানুষের জানমালের নিরাপত্তায়। তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে যেকোনো মূল্যে, এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদেরকে ধীর শান্ত থাকতে হবে।’

ধর্ম, শ্রেণী, বয়স ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক, যেকোনো বয়স, যেকোনো শ্রেণী, যেকোনো পেশা, যেকোনো ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকে—আজকে এই হোক আমাদের চাওয়া।’

গতকাল বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে তারেক রহমান বিমানবন্দরের ভিআইপি ফটক দিয়ে বের হন। এ সময় জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটির স্পর্শ নেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে তখন এক টুকরো মাটি হাতে নিয়েও স্পর্শ করতে দেখা যায়।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরে থাকা অবস্থাতেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করেন তারেক রহমান। এ সময় তাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে লাল-সবুজ রঙের একটি বুলেটপ্রুফ বাসে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফিট এলাকায় গণসংবর্ধনাস্থলের দিকে রওনা হন তারেক রহমান। এ সময় তার গাড়িবহর ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত পুরো সড়কের উভয় পাশে সারি বেঁধে নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান। পুরো পথে তারেক রহমানও হাত নেড়ে সবাইকে পাল্টা শুভেচ্ছা জানান। জনসমাগমের ভিড়ে তারেক রহমানের গাড়িবহরের গতি ছিল খুবই ধীর। মাত্র চার কিলোমিটারের সড়ক পেরোতে সময় লাগে ৩ ঘণ্টার বেশি। বেলা ৩টা ৫১ মিনিটের দিকে তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন এবং ৩টা ৫৭ মিনিটে তার বক্তব্য শুরু করেন। মঞ্চে তারেক রহমানের জন্য বিশেষ চেয়ারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেটি সরিয়ে দেন এবং সাধারণ একটি চেয়ারে বসেন।

সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এজেডএম জাহিদ হোসেন ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মঞ্চে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ভাষণের শুরুর দিকেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ১৯৭১ থেকে ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন সংগ্রামকে স্মরণ করে বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ’৭৫-এ আবার ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তী সময়ে ’৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণ, এদেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ২০২৪ সালে, ’৭১ সালে এই দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে এদেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ—কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত নির্বিশেষে, শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ সেদিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক।’

দেশে এখনো বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র চলছে বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন আধিপত্যবাদ শক্তির গুপ্তচররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে; আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন, আপনারাই আগামী দিন দেশকে নেতৃত্ব দেবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন; এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদেরকে আজ গ্রহণ করতে হবে, যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি।’

রাষ্ট্রের কাছে নারী, তরুণ, শিশু, প্রতিবন্ধী মানুষ এবং কৃষক-শ্রমিকের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি ভাষণের শেষদিকে সমবেতদের উদ্দেশে ‘সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো মোদের বাংলাদেশ’—এমন”স্লোগান দিয়ে প্রতিজ্ঞা গ্রহণের আহ্বান জানান।

গণসংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে ৩০টি এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়। পাশাপাশি ৩০০ ফিট সড়ক, কুড়িল-বিশ্বরোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিকুঞ্জ, বিমানবন্দরসহ পুরো এলাকাজুড়ে নয় শতাধিক মাইক স্থাপন করা হয় বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানে যোগ দেন সারা দেশ থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

গতকাল সকাল থেকে ৩০০ ফিটের সংবর্ধনাস্থল সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অনেকে একদিন আগেই (বুধবার) সংবর্ধনাস্থলে এসে হাজির হয়েছেন। মঞ্চের সামনের সারিতে জায়গা ধরার জন্য তারা গত রাত থেকে সেখানে অবস্থান করেন। এদিন খুব ভোর থেকে কুড়িলের ৩০০ ফিট সড়ক ধরে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন। এ সময় তারা ‘লিডার আসছে’, ‘খালেদা জিয়া, জিয়া খালেদা’, ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

খুলনার রূপসা উপজেলা থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন হামিদুর রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির একজন কর্মী। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, তারেক রহমানের আগমন বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন করবে। বর্তমানে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেশে তৈরি হয়েছে, এ ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ঐতিহাসিক এ মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে একদিন আগেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছি।’

রাজধানীর ধানমন্ডি থানার যুবদল কর্মী মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘বাবা-দাদার সূত্র ধরেই আমি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের বিএনপি পরিবারের সন্তান। বিগত ১৭ বছর ধরে আমরা নানা নির্যাতনের শিকার হয়ে ঢাকায় থাকা শুরু করেছি। ২০১৪ সালে ছয়টি মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাকে বাড়িছাড়া করে। তারেক রহমান দেশে ফিরে আসায় আজ খুবই ভালো লাগছে। উনাকে একনজর দেখে সত্যিই অনেক খুশি হয়েছি।’

জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) গণসংবর্ধনায় প্রায় ১৭ মিনিটের বক্তব্য শেষে অসুস্থ মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় যান এবং ৫টা ৫৪ মিনিটে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের হন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন। সেখান থেকে রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে বহনকারী গাড়িটি গুলশান এভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়িতে যায়। গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান ছিলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের জন্য গুলশান এভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়িটি আগেই প্রস্তুত করা ছিল। তিনি এ বাড়িতেই থাকবেন বলে জানা গেছে। ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশে অবস্থিত।