ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছেলে জুবায়ের (৬), স্বামী
মকবুল হোসেন (৪০), বড়
ছেলে জয় (১২) ও গর্ভে থাকা সন্তানের পর এবার মৃত্যুর কাছে হার মানলেন দগ্ধ রেখাও (৩২)। এ ঘটনায় ওই পরিবারের কেউ আর জীবিত রইল না।
সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেখার মৃত্যু হয়। নিহতের চাচা শরীফুল ইসলাম রেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা সদরের শরীয়তনগর এলাকায় মোহাম্মদ আলাই মিয়ার পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন মকবুল হোসেন ও তার পরিবার।
২২ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ১০টার দিকে মকবুল হোসেনের বাসায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে মকবুল হোসেনের ছেলে জুবায়ের অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। এছাড়া মকবুল হোসেন ও স্ত্রী রেখা বেগম এবং তাদের আরেক ছেলে জয় ও ভবনের বাসিন্দা জামিয়া রহমানসহ ১০ জন দগ্ধ হন। খবর পেয়ে আশুগঞ্জ, সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের চারটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধদের মুমূর্ষু অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ও ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকালে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মকবুল হোসেন।
এরপর রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মকবুলের বড় ছেলে জয়ের মৃত্যু হয়। পরিবারের শেষ ব্যক্তি রেখা ছিলেন শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে লাইফ সাপোর্টে। সেখানেই সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় মৃত্যুর কাছে হার মানেন রেখা। তার গর্ভে থাকা সন্তানেরও মৃত্যু হয়। উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়নের শরীয়তনগর এলাকার স্থানীয় মোহাম্মদ আলাই মিয়ার পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন মকবুল হোসেন ও তার পরিবার।










