নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের ১০ নেতাকর্মীর সাতদিনের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একে উদ্দেশ্যমূলক দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় আসামিদের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ক-অঞ্চলের বিচারক নুরুন নাহার ইয়াসমিনের আদালতে আসামিদের হাজির করে পুলিশ। এরপর সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। রিমান্ড শুনানিতে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার নিজেই অংশ নেন। এ সময় আদালতে তৈমুর আলমের সঙ্গে সহযোগিতায় ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকারসহ আরো বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

রিমান্ড শুনানি শেষে তৈমুর আলম খন্দকার অভিযোগ করেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে পুলিশ গত কয়েকদিনে তার প্রায় ৩০ নেতাকর্মীকে অযাচিত ও উদ্দেশ্যমূলক গ্রেফতার করে হেফাজতে ইসলামের সহিংসতার মামলায় আসামি করেছে। নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য তার গাড়িচালকসহ ব্যক্তিগত কর্মচারীদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি দেড় শতাধিক নেতাকর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের হয়রানি করা হয়েছে। তৈমুর আলম জানান, সোমবার ১০ জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করে। এ সময় তিনি আসামিদের পাল্টা জামিনের আবেদন করে শুনানিতে অংশ নিয়েছেন।

এ মামলার মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের চেহারা ও পুলিশের নির্যাতনের বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে বলে তিনি আদালতকে বলেছেন। তৈমুর আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া অপরাধ হয়ে থাকলে তাকে গ্রেফতার করুক, তবু তার স্টাফদের যেন মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশের নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।